ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর এটিই লাভরভের প্রথম তেহরান সফর। রুশ বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহরাইন সফর শেষে তেহরানে পৌঁছান তিনি। সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি বাস্তবায়নে মস্কোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। চুক্তিটি ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর কার্যকর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চলতি মাসের শুরুতে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে জানিয়েছিলেন, সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় অংশ নিতে প্রস্তুত মস্কো। লাভরভের এই সফরকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগে রাশিয়ার ভূমিকা জোরদারের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল ও পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনার বিষয়ও বৈঠকে উঠে এসেছে।
ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিটি ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয়। পরে ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর এটি কার্যকর হয়।
চুক্তিতে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, জ্বালানি, বাণিজ্য ও পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা রয়েছে। তবে চুক্তিতে কোনো পক্ষ আক্রান্ত হলে অন্য পক্ষের সামরিকভাবে তাকে রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।
সূত্র: আলজাজিরা ও তাস
এস











