৮ হাজার মাইল রেললাইন নির্মাণ করতে আগ্রহী চীন। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে রাস্তাটি তৈরি করা হবে। রেললাইনের ১২৫ মাইল থাকবে সাগরের নিচ দিয়ে।
এটি চীনকে য্ক্তু করবে রাশিয়া, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে।
চীনের স্টেট রান ডেইলি জানায়, পুরো রাস্তা পাড়ি দিতে সময় লাগবে আনুমানিক দুই দিন এবং ট্রেনের গতি থাকবে ঘন্টায় ২২০ মাইল।
চীনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র চায়না ডেইলি জানায়, টানেল প্রযুক্তি ইতিমধ্যে শেষের দিকে এবং ব্যবহার করা হবে দ্রুতগতির রেল নির্মাণে, যা দক্ষিণ-পূর্ব চীনকে সংযুক্ত করবে তাইওয়ানের সঙ্গে।
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন এবং অর্থায়ন করবে চীন সরকার। তবে সবকিছু এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
রেলওয়ে একাডেমির প্রকৌশলী ওয়াং মেংসু বেইজিং টাইমসকে বলেন, ‘আমরা ঠিক এখন একটা আলোচনাতে এসেছি। রাশিয়া কয়েক বছর আগে থেকেই এটা নিয়ে ভাবছে।’
বেইজিং টাইমস জানায়, চীন-রাশিয়া-কানাডা-আমেরিকা এই চারটি দেশ নিয়ে চীন মহাদেশীয় একটি রেল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চায়।
তবে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো রেলওয়ে প্রকৌশলীর সঙ্গে এ বিষয়ে চীন সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। রাশিয়া, আমেরিকা এবং কানাডার নীতিনির্ধারণ পর্যায়েও বৈঠক হয়নি।
গবেষকদের ধারণা সমুদ্র তলদেশে এই ধরণের টানেল নির্মাণ প্রকৌশলীদের জন্য হবে অন্যতম বৃহৎ চ্যালেঞ্জের একটি কাজ।
এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বৃহৎ সমুদ্রের নিচের টানেলটি হচ্ছে ইংলিশ চ্যানেলের নিচ দিয়ে যাওয়া ২৫ মাইল লম্বা টানেলটি। প্রথম ১৯৯৪ সালে এটিতে রেল চলাচল শুরু করে।
সেই সময়কার ৭.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছিল এটির নির্মাণে। চীন আশা করছে তাদের এই বিশাল টানেল নির্মাণে খরচ হতে পারে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এসএইচ





