বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল ও নেতাদের ওপর জরিপ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এখনো ইমরান খান ও তার দল বেশি জনপ্রিয়। যদিও পাঞ্জাবে তেইরিক-ই-ইনসাফ ও পিএমএলএন প্রায় সমান জনপ্রিয়। অর্থাৎ এখানে পিটিআইয়ের জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে পিএমএলএন-এর। জনপ্রিয়তার দিক থেকে পাকিস্তানজুড়ে প্রথম সারির রাজনৈতিক দল দুইটির মধ্যে পার্থক্য বেশি। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ইমরান খানের দল অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
কিন্তু জনপ্রিয়তা বাড়লেও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে এই মুহূর্তে কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান খান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে পারবেন না। তাছাড়া তার দলেরও অধিকাংশ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়ন ফিরে পেতে তারা দ্বরাস্থ্য হচ্ছেন আদালতে।
পিটিআইয়ের মুখপাত্র রাউফ হাসান বলেছেন, আমাদের দলের প্রায় সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ প্রার্থী এই তালিকায় রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন থেকে পিটিআইকে বাইরে রাখার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে ইসিপি। কিন্তু কোনো পরিস্থিতিতেই আমরা রাজনীতি ছাড়বো না, নির্বাচনও বয়কট করবো না। আমরা তাদের এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবো।
এমএইচ





