পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা শহরে পুলিশ প্রশিক্ষণ কলেজে হামলাকারীর সংখ্যা ছিল ৪-৬ জন। এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপত্র আইএসপিআর। উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণ কলেজটির হোস্টেলে জঙ্গি হামলায় অন্তত ৬০ জন ক্যাডেট ও প্রহরী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১১৬ জন এবং ২০০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাতে হামলাকারীরা কলেজটির হোস্টেলে ঢুকে পড়ে এবং সেখানকার বহু বাসিন্দাকে জিম্মি করে। পরে সেনাবাহিনী কলেজটিতে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন হামলাকারীকে গুলি করে হত্যা করে। বাকীরা ধারণা করা হচ্ছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়।
বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটা। এখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও কথিত ইসলামিক স্টেট উভয় দলই অতীতেও এ রকম আরো হামলা চালিয়েছে। গত আগাস্ট মাসেও কোয়েটার প্রধান হাসপাতালে এক হামলায় ৭০ জন মানুষ মারা যায়।
তবে পুলিশ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে জঙ্গি হামলার জন্য এখনো কোনো সংগঠন দায় স্বীকার করেনি। তবে লস্কর-ই-জাঙ্কভি আল আলমি জড়িত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশের মহাপরিচালক এফসি মেজর জেনারেল শের আফগান জানিয়েছেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হামলার নির্দেশনা আফগানিস্তান থেকে এসেছে এবং লস্কর-ই-জাঙ্কভি আল আলমি হামলার সঙ্গে। বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি জানিয়েছেন ৩ জন সন্ত্রাসী পুলিশ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাতে হামলার পরে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করতে করতে হোস্টেলে প্রবেশ করে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। প্রথম আক্রমণকারী ২০ জনকে হত্যা ও ১০৬ জনকে আহত করে নিজেই প্রবেশদ্বারে আত্মহুতি দেন। আরো অনেককে আহত করতে পারতো ওই সন্ত্রাসী। কোয়েটায় হামলার দুইদিন আগে জিও নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সানাহউল্লাহ জেহরি জানিয়েছেন, সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য কোয়েটায় প্রবেশ করেছে কয়েকজন জঙ্গি ।
জেড





