উপন্যাস বা চলচ্চিত্রের রাশভারি কোনো চরিত্রের কথা মনে করুন তো? সবার আগে চোখে কী ভেসে উঠছে? কালো মোটা ফ্রেম, নাকের ওপর একটু নামানো, হয় আড়চোখে কাউকে দেখছেন কিংবা গভীর মনোযোগে হিসাব কষছেন, এসব ভাবছেন তো? হুম, ঠিকই ধরেছেন, চশমার কথাই বলছি।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920610.jpg[/img]
শহুরেদের কথা অবশ্য আলাদা, গ্রামে বেড়ে ওঠা কোনো শিশু কিংবা কিশোর-কিশোরীরা নারিকেল পাতা দিয়ে বানানো চশমা চোখে পরেনি এমনটি হতেই পারে না। শৈশব থেকেই চশমার যখন শুরু, এখন এটাকে এড়িয়ে যাওয়া কেন? চোখে চশমা তুলতে কি একটু লজ্জা লাগছে? চশমা তো শুধু ফ্যাশনের জন্যই নয়, এটার প্রয়োজনও রয়েছে। চোখ আর দৃষ্টিশক্তি অক্ষুণ্ন রাখতে চশমার প্রয়োজন অপরিসীম।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920614.jpg[/img]
যাদের চশমা ছাড়া এক মুহূর্ত চলে না, বস্তুটা তাদের নাকের ডগায় পাহারাদার হয়ে জুড়ে থাকে সারাক্ষণ। আর বর্তমানে এ পাহারাদারের কত কী ডিজাইন, বৈচিত্র্যময়তা! কখনও গোল, কখনও আয়তাকার, কখনও মোটা, কখনও একদম পাতলা, স্বচ্ছ! ডিজাইনের ক্ষেত্রেও যে কত বৈচিত্র্যের খেলা। কেউ সাদা পরছে তো কেউ কালো কিংবা বাদামি! চশমার বাহারি সব ফ্রেমের গল্প নিয়েই এ আয়োজন। প্রয়োজনই সবকিছুর উদ্ভাবক। সভ্যতার শ্রেষ্ঠ, দরকারি আবিষ্কারগুলোর অন্যতম একটি হলো এ চশমা। শুধু প্রয়োজনের খাতিরে সারা পৃথিবীতে ৯৬ মিলিয়ন মানুষ চশমা ব্যবহার করে। তাই সামান্য এ চশমাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে বিখ্যাত সব করপোরেশন, বিলিয়ন ডলারের বাজার। আর এসব অনুঘটকই চশমাকে দরকারের পাশাপাশি ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হিসেবে রূপান্তরিত করে ফেলেছে। চশমা যখন পরতেই হবে, সেটা যদি একটু ফ্যাশনেবল হয়, আপনার ব্যক্তিত্ব আর রুচির ছটায় চারপাশ মুগ্ধ করতে পারে, তো মন্দ কী! আর চশমার সব সৌন্দর্য, নান্দনিকতা নির্ভর করে এর ফ্রেমের ওপর।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920605.jpg[/img]
চশমার ফ্রেম বাছাইয়ে কত কী বাছবিচার! গায়ের রঙ থেকে শুরু করে মুখের অবয়ব, ঠোঁট সাজানোর লিপস্টিক থেকে পরনের টি-শার্ট বা ওড়না, সবকিছুর সঙ্গে মিলতাল রেখেই বেছে নিতে হবে আপনার পছন্দের ফ্রেমটি। সৃষ্টিকর্তা যাদের নাকটা একটু উঁচু, মুখটা একটু ভরাট করে বানিয়েছেন, তাদের চোখে অনায়াসেই মানিয়ে যায় বেশিরভাগ ফ্রেম। কিন্তু নাকটা একটু ছোট হলেই যত মুশকিল! আপনার নাকটা মুখের তুলনায় ছোট হলে আপনাকে এমন ফ্রেম বাছাই করতে হবে, যেন সেটা মুখের ওপর চেপে না বসে। বরং অপেক্ষাকৃত পাতলা, আয়তাকার ফ্রেমই আপনাকে দেবে নান্দনিক চশমার চাহনি! মুখটা গোলাকার হলে বেছে নিতে পারেন পুরু, চতুর্ভুজ আকৃতির চশমা। মুখের গড়ন আয়তাকার হলে আপনার পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে কোনাযুক্ত, ওপরের দিকে চ্যাপ্টা ফ্রেম।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920579.jpg[/img]
মুখের গড়ন বুঝে কেমন ফ্রেম কিনবেন, সে তো বোঝা গেল। কিন্তু ফ্রেম কিনতে গিয়ে আপনাকে এখানে থামলে চলছে না মোটেই! স্কিন টোনের সঙ্গে যায় আপনাকে এমন রঙের চশমা বেছে নিতে হবে সব সময়। চশমা কিনতে গিয়ে যারা কোনো যুক্তিতর্কের পরোয়া না করেই কালো কিংবা চকোলেট রঙের ফ্রেম কিনে ঘরে ফেরেন, তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যারা ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফ্রেম কিনতে চান তারা ফর্সাটে ত্বকের জন্য সাদা, বাদামি কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে লাল রঙের ফ্রেম কিনে দেখতে পারেন। ইদানীং রঙিন ফ্রেমের বেশ জয়জয়কার। সাদা-কালোর মিশেল কিংবা সবুজ-সাদা রঙের মিশেল করা ফ্রেমেও চোখ বুলিয়ে দেখতে পারেন। ফ্রেমের রঙ ও ডিজাইনের সঙ্গে বয়সেরও কিন্তু একটা বেশ জোরালো সম্পর্ক আছে। বাচ্চাদের ফ্রেম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটু রঙিন এবং পাতলাই বেশি মানানসই। বুড়োদের ক্ষেত্রে একটু ভারি, মোটা একরঙা ফ্রেমই ভালো মানায়। আর তরুণ-তরুণীরা রঙ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটু কালারফুল তো হতেই পারেন! এক্ষেত্রে শেডের ফ্রেম যেমন ব্যবহার করতে পারেন, তেমনি এনিমেল প্রিন্টের চশমাও কিনে নিতে পারেন।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920602.gif[/img]
ফ্রেমের জন্য যখন এত আয়োজন, তখন চশমার ফ্রেমের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে সাজগোজের প্রসঙ্গটাও চলে আসে। মুখের সৌন্দর্যে টোটালিটি বজায় রাখতে তাই আপনাকে ফ্রেমের সঙ্গে মিলিয়ে মুখের সাজ ও পোশাক-পরিচ্ছদ নির্বাচন করতে হবে। আপনার ফ্রেম যদি মোটা ও গাঢ় রঙের হয়, তাহলে চোখে হালকা সাজটাই বেশি মানানসই। আর পাতলা ফ্রেমে আপনি গাঢ় রঙের লিপস্টিকে রাঙাতেই পারেন আপনার ঠোঁটকে। পাশাপাশি আইশ্যাডো কিংবা লিপস্টিকের ক্ষেত্রে আপনি চশমার ফ্রেমের রঙকেই বেছে নিতে পারেন। আর যে কাপড়টি গায়ে চাপাবেন, সেটা যদি চশমার ফ্রেমের সঙ্গে ম্যাচ করে পরেন, তো মন্দ কী! দেখবেন, সবকিছু মিলিয়ে আপনার চেহারায় ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠেছে। আর তখন চশমাটাকে নাকের ওপর জোর করে চাপানো কোনো পাহারাদার মনে হবে না, বরং চশমাটিই আপনার সৌন্দর্যকে পরিপূর্ণ করে তুলবে। নিজের কাছে তো বটেই, অন্যদের কাছেও আপনি হয়ে উঠবেন সোনায় সোহাগা!
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920594.jpg[/img]
কোন ফ্রেম কিনবেন, সেটা তো জানা হলো। কিন্তু কোথায় গিয়ে কিনবেন পছন্দের ফ্রেমটি? আপনি যেখানেই বসবাস করুন না কেন, আপনার আশপাশেই মিলে যাবে ছোটখাটো চশমার দোকান। খুব বেশি ঝুটঝামেলা করতে না চাইলে এসব দোকানেই ঢুঁ মারতে পারেন। সারাদিনের ব্যস্ততার কারণে সময় করে উঠতে না পারলে এ দোকানগুলোই হয়ে উঠতে পারে আপনার অন্যতম আস্থার জায়গা। কিন্তু কেউ যদি একটু ঘেঁটে, বাজারে আসা সব ধরনের ফ্রেম থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে চান, তাহলে চশমার বড় বড় দোকানে ছুট দেয়াই ভালো। সেজন্য আপনার সেরা গন্তব্যটি হতে পারে ফার্মগেট কিংবা এলিফ্যান্ট রোডের চশমার দোকানগুলো।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920583.jpg[/img]
এখানে নামিদামি সব বিখ্যাত ব্রান্ডের ফ্রেমের পাশাপাশি আপনি খুঁজে পাবেন নামহীন বেশ কম দামের নানা ফ্রেম। নাইক, পেঙ্গুইন, ফ্লেঙ্গেন, রে-ব্যান, ফসিল, ভেরা ওয়াং, ওকলে, মন্ট বস্নাক, ভারসেস, ক্রিশ্চিয়ার ডিওর, পলিশ, গুড অ্যান্ড উড প্রভৃতি ব্রান্ডের চশমার ফ্রেমের দাম পড়বে ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। বাহারি সব ডিজাইন, আধুনিকতার সব অনুষঙ্গ নিয়ে এসব ফ্রেম আপনার চাহিদা মেটাতে সব সময়ই তৈরি। এছাড়া যারা অল্প খরচের মধ্যে মনের মতো ফ্রেম কিনে ঘরে ফিরতে চান, দোকানগুলোতে তাদের জন্যও আছে সুব্যবস্থা। মাত্র ২০০ থেকে শুরু করে হাজারখানেক টাকার মধ্যেই আপনার জন্য মিলে যাবে বিদেশি ব্রান্ডের ফ্রেমের আদলে গড়া নান্দনিক সব দেশীয় ব্রান্ডের ফ্রেম। রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলে যেমন মেট্রো শপিংমল, বসুন্ধরা সিটি, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, পিঙ্ক সিটিতে গিয়ে আর ১০টা জিনিস কিনতে গেলে তার সঙ্গে পছন্দের ফ্রেমটিও কিনে আনতে পারেন। এছাড়া একটু সহজে, সস্তায় ফ্রেমগুলো কিনতে হলে নিউমার্কেট ও পাটুয়াটুলি চশমার মার্কেটে যেতে পারেন নির্দ্বিধায়। একটু ঘেঁটে কেনা চশমার এ বাহারি ফ্রেমগুলো আপনার চোখের সব মুহূর্তের আরামদায়ক সঙ্গী যেমন হয়ে থাকবে, তেমনি ফ্যাশন সচেতন মানুষ হিসেবে আপনাকে করে তুলবে অনন্য, অনস্বীকার্য।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920575.png[/img]
এবার আসা যাক চশমার যত্ন প্রসঙ্গে। নিত্যব্যবহার্য অন্যান্য জিনিসের মতো চশমারও যত্ন নিতে হবে। নিয়মিত যত্ন না নিলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে আপনার পছন্দের চশমাটি। অন্যদিকে পর্যাপ্ত যত্ন নিলে চশমার লেন্স থাকে স্বচ্ছ যা আপনার চোখে এনে দেবে শান্তি। চশমা সব সময় দুই হাতে ধরে পরতে হবে খুলতেও হবে একই নিয়মে। তাতে চশমার ধার নষ্ট হয় না। ধুলাবালি ও ঘামে ভিজে চশমা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই প্রতিদিন অন্তত একবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট চশমা পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর নরম ব্রাশ দিয়ে নোজ প্যাড ঘষে নিন। নরম শুকনো সুতি কাপড় দিয়ে চশমার লেন্স মুছে ফেলুন। এতে চশমা দীর্ঘদিন ঝকঝকে থাকবে। চশমা চোখ থেকে খুলে এমনভাবে রাখতে হবে যেন চশমার লেন্স দুটো কোনো স্থান স্পর্শ না করে। আর তাই চশমা কোনোভাবেই উপুড় করে রাখা যাবে না। তাতে লেন্স দাগ পড়ে যায়। এ ছাড়া চশমা কখনও ডিটারজেন্ট বা সাবান দিয়ে ধোয়া যাবে না। তাতে চশমা ঘোলা হয়ে যায়। চশমার লেন্স কখনও হাত দিয়ে ধরবেন না। যাদের চশমা ছাড়া চলে না তারা একাধিক চশমা রাখতে পারেন, প্রয়োজনের সময় যেন বেকায়দায় পড়তে না হয়।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1400920560.png[/img]
আমরা অনেক কারণেই চশমা ব্যবহার করি—১. চোখের সমস্যা, ২. প্রচণ্ড রোদে চশমা পোশাকের কাজ করে, ৩. রাস্তার ধুলাবালি, পোকামাকড় থেকে রক্ষা, ৪. সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি থেকে চোখের রক্ষা, ৫. ফ্যাশনের জন্য, ৬. মোটরসাইকেল চালানোর সময় ইত্যাদি।
[b]লক্ষণীয় বিষয় :[/b] চশমা কেনার আগে প্রথমে লক্ষ্য করবেন, চশমার ফ্রেমটি আপনার চেহারায় ঠিকমত বসল কি-না, চশমার গ্লাসে আপনার প্রয়োজনীয় পাওয়ার দেয়া সম্ভব কি-না এবং এ চশমা ব্যবহারে আরামদায়ক কি-না? তার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে এই ফ্রেমটি ফ্যাশনেবল কি-না?
[b]বিখ্যাত ব্র্যান্ড : [/b]চশমার বিখ্যাত ব্র্যান্ড হচ্ছে আরমানি, পুলিশ, রেবন, ডিঅ্যান্ডজি, বস, প্যারাডা, ওকলে—এসব ব্র্যান্ডের চশমার মূল্য একটু বেশি। কিন্তু আমাদের দেশে এসব ব্র্যান্ডের চশমা পাওয় যায়। তার পাশাপাশি এসব ব্র্যান্ডের কপিও পাওয়া যায়, যার মূল্য তুলনামূলক অনেক কম। আরমানি ও রেবন এসব ব্র্যান্ডের চশমার মূল্য ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে। আর কপি ব্র্যান্ডের চশমার মূল্য ২০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে।
[b]কোথায় পাবেন :[/b] আপনার পছন্দ অনুযায়ী এবং বাজেটের মধ্যে চশমা পাবেন বসুন্ধরা শপিংমল, উত্তরা, বনানী, নিউমার্কেট, পাটুয়াটুলীসহ বড় বড় মার্কেট ও ব্র্যান্ডের দোকানে এবং কম দামের চশমা পাবেন পাটুয়াটুলী ও ফুটপাতে।
বাজারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চশমা পাওয়া যায়। ঢাকা নিউমার্কেট, পিংক সিটি, বসুন্ধরা শপিং মল, এলিফ্যান্ট রোড, মেট্রো শপিং মলসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের ও প্রয়োজনের চশমাখানি।
নিউমার্কেটের বিউটি অপটিক্যালের স্বত্বাধিকারী আশরাফ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রযুক্তির এ যুগে নতুন ফ্যাশনটা খুব দ্রুতই ছড়িয়ে যায়। তাই আমরাও ক্রেতাদের জন্য হাল ফ্যাশনের রঙিন ফ্রেমের চশমার সংগ্রহ রেখেছি।’
একটু ভালো ব্র্যান্ডের চশমা যেমন রেব্যান, পুলিশ, মিলোটি, গুচি, কার্টিয়ার পাবেন ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকায়। তবে সাধারণত এসব ব্র্যান্ডের আদলে তৈরি চশমাগুলোই চলছে বেশি। এর মধ্যেও আবার রয়েছে মানের ভালো-মন্দ দিক। একটু ভালো মানের ফ্রেমে গেলে আপনার খরচ হবে ১৮০০-৩০০০ টাকা। সাধারণ চশমাগুলো পাবেন ৩০০-১৫০০ টাকায়। বর্তমানে শেল বা প্লাস্টিকের তৈরি ফ্রেম বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আপনি বেছে নিতে পারেন সেগুলোও। এতে খরচ পড়বে ৩০০-২৫০০ টাকা।
চশমার ফ্রেমের সঙ্গে লেন্সের সম্পর্ক রয়েছে। লেন্স ঠিক করে দেবেন চক্ষু চিকিৎসক।চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী লেন্স নিতে হবে।আর চশমা তৈরির পর সঠিক লেন্স নেওয়া হলো কি না তা চিকিৎসককে দেখিয়ে নিতে হবে।
[b]লেন্সের দরদাম[/b]
বাজারে প্রগ্রেসিভ লেন্সের দাম পড়বে ১২০০-৩৫০০ টাকা, বাইফোকাল ৬০০ টাকা, ইউনিফোকাল ২০০-৩০০ টাকা, ফটোসান-১০০০ টাকা। এর মধ্য থেকে বেছে নিন আপনারটি।
[বি: দ্র: চশমা ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।]
[b]ঢাকা, ২৪ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এনএস[/b]





