সুন্দর ও ঝলমলে চুল সব নারীরই পছন্দ। প্রাকৃতিক উপায়ে চুলকে ঘরে বসেই করা যায় সজীব ও সতেজ। হাতের নাগালে পাওয়া জিনিস দিয়েই করা যায় চুলকে ঝলমলে। রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক রূপচর্যা কৃত্রিম কেমিক্যালের চেয়ে বেশ কার্যকর। কৃত্রিম রাসায়নিক শরীরে স্যুট না করলে চুল পড়ে যেতে পারে। তবে প্রাকৃতিক উপাদানে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

চলুন দেখে নেই ঘরোয়াভাবে কী করে নিতে হয় চুলের যত্ন:

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা পাতার জেল মাথার ত্বকে ম্যাসেজ করুন। কিছুক্ষণ পর এটি শুকিয়ে গেলে কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। অবশ্যই শ্যাম্পু করবেন না। চুলের ভালো উন্নতির জন্য সপ্তাহে দুবার এভাবে ম্যাসেজ করুন।

নিম

মাথার ত্বকের জন্য নিমের পেস্ট ভালো। যদি আপনার চুলের ধূসর রং দূর করতে এবং চুলকে লম্বা করতে চান, তবে এর সহজ সমাধান হচ্ছে নিমের পেস্ট। এটি মোটা করে চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে দুধের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ধরনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা চুলের যত্নে খুবই ভালো।

জবা ফুল

৬-৭টি জবা ফুল পেস্ট করে নিন। এর সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে এক মিনিট রেখে দিন। এবার মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন। ২০ মিনিট পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। এটি সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করতে পারেন।

কারি পাতা

তরকারিতে কারি পাতা ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের উন্নতিতে সাহায্য করে। কারি পাতা পেস্ট করে চুলে লাগাতে পারেন। এটি চুলের গোড়া শক্ত এবং চুলকে ঝলমলে করে।

পেঁয়াজের রস

প্রাচীনকাল থেকে চুলের চিকিৎসায় পেঁয়াজের রস বেশ সুপরিচিত। সপ্তাহে দুবার চুলে পেঁয়াজের রস লাগাতে পারেন। এর কটুগন্ধ দূর করতে দুবার শ্যাম্পু করুন।

মেথি পাতা

চুলের যেকোনো চিকিৎসায় মেথি পাতা ব্যবহার করতে পারেন। পাত্রে পানি ফুটিয়ে সঙ্গে মেথি পাতা দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর নামিয়ে পানি ছেঁকে পাতা আলাদা করুন। সিদ্ধ পাতার সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। চুলে লাগিয়ে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের বৃদ্ধিতে ভালো কাজ করে।

আমলকী

চুলের যত্নে আমলকীর রস বেশ উপকারী। চুলের যে কোনো সমস্যায় আমলকীর রস ব্যবহার করতে পারেন। আমলকী দিয়ে হেয়ারপ্যাক বানিয়ে চুলে লাগান। এটি চুল পড়া রোধে বেশ কার্যকর।

এআইজে