রমজানে ইফতারে প্রতিদিনই খেজুর খেয়ে থাকি আমরা। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফলটি সারা বছরই খেতে পারেন।

খেজুর পুষ্টিগুণে ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ০.০৯ গ্রাম আয়রন থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই এই খেজুর থেকে পাওয়া যায়। তাই সব পুষ্টিবিদই খেজুরকে ডায়েটে রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

পুষ্টিবিদদের মতে, “সারা দিনের ডায়েটে যদি দু’টি খেজুর রাখা যায়, তাহলে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আপনি জানেন কি? মিষ্টি এই ফলটি খেলে দূর হতে পারে অনেক রোগ।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই এই খেজুর থেকে মেলে।

তবে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের শুকনো খেজুর ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। শুকনো খেজুরেও শরীরের দরকারি খনিজ মেলে। খেজুর রয়েছে ওষধিগুণ ও শরীরে ভিটামিনের চাহিদাও পূরণ করে।

আসুন জেনে নেই প্রতিদিন খেজুর খেলে যেসব উপকার পাওয়া যাবে।

১. খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম রয়েছে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখতে পারেন খেজুর।

২. রক্তাল্পতা রোগীর ক্ষেত্রে খেজুর খুবই প্রয়োজনীয়। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।

৩. যারা চিনি খেতে চান না তারা খেতে পারেন খেজুরের রস ও গুড়। তাই চিনির ক্ষতি এড়াতে খেজুর খেতে পারেন।

৪. হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে খেজুরের ভিতরে থাকা নানা খনিজ। তাই হার্টের স্বাস্থ্যের পক্ষে খেজুর খুবই উপকারি।

৫. খেজুরে থাকা সোডিয়াম রক্তের চাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীর ডায়াটে খেজুর রাখা উচিত।

৬. খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনার স্বাস্থ্যকে ভাল রাখে। সূত্র আনন্দবাজার পত্রিকা

 

এএস