খুশকি একটি সাধারন সমস্যা কিন্তু খুব যন্ত্রণাদায়ক। শীত, গ্রীষ্ম কী বর্ষা কম-বেশি সব ঋতুতেই ভিন্ন ভিন্ন কারণে খুশকি দেখা যায় চুলে। খুশকি আপনার চুলের ও মাথার ত্বকের বিবিধ রকমের ক্ষতি করে।
খুশকি দূর করতে বাজারে অনেক অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু পাওয়া যায় কিন্তু সবগুলোতেই হরেক রকমের কেমিকেল ভরপুর। তাই আসুন ঘরোয়া আর ভেষজ উপাদানে কীভাবে খুশকি তাড়াতে পারি তা দেখে নেই!
তবে খুশকির সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে পারেন। এই পদ্ধতি খুব কঠিন নয়, কষ্টলভ্য উপাদানও নয়, এমন কিছু দিয়ে খুশকি তাড়ানো যাবে। ঘরে থাকা পাতিলেবু, নারিকেল তেল বা ক্যাস্টর অয়েল- এসব উপাদানেই দূর হবে খুশকি।
পদ্ধতিটি খুবই সহজ এবং সময়ও লাগে কম। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারবেন এই উপাদানগুলো। এবার জেনে নিন, এই উপাদান কী ভাবে প্রয়োগ করলে খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, সে সম্পর্কে...
লেবুর রস আর নারিকেল তেল
শুষ্ক আবহাওয়ায় তেল মাথায় আর্দ্রতা জোগায়। চুলের গোড়ায় পুষ্টির জোগান দেয়। এই নারিকেল তেলকে একটু গরম করে তাতে যোগ করুন কয়েক ফোটা লেবুর রস। গোসলের আধা ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। খুশকির সমস্যায় উপকার পাবেন।
নারিকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল
প্রতিদিন রাতে নারিকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল গরম করে মিশিয়ে নিন। আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে ভাল করে চুলে মাসাজ করুন। এরপর চুল বেঁধে শুয়ে পড়ুন। পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে তিন দিন এমন করলেই খুশকি কমবে উল্লেখযোগ্যভাবে।
পাতিলেবুর রস ও পানি
লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড মাথার পিএইচ-এর ভারসাম্য রক্ষা করে। মাথার অতিরিক্ত তেল বার করে দিতেও এটি খুবই কার্যকর। মাথায় পাতিলেবুর রস লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন।
এরপর সেই লেবুর রস মেশানো পানি দিয়েই ধুয়ে পেলুন চুল। সবশেষে শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন। খুশকি তো দূর হবেই, মাথার ত্বকও শুষ্কতা থেকে রক্ষা পাবে।
এএস





