বহু দিন ধরেই ওজন কমাতে চাইছেন। ডায়েট মেনেও চলছেন। শুধু একটাই দুর্বলতা। ফুচকা। ওটা দেখলেই যে মন আর বাধ মানে না। ডায়েট ভুলে খেয়েই ফেলেন গোটা দশ-বারো। তারপরই অপরাধ বোধ। এ দিকে বছরের শুরুতে রেজলিউশনও নিয়ে নিয়েছেন। ‘নো ফুচকা।’ জেনে নিন ফুচকা খেয়েও কী ভাবে রোগা হওয়া যায়।
ফুচকা খেয়েও ওজন কমানো যেতে পারে?
উত্তরটা হল হ্যাঁ। ডায়েটে থেকেও মাঝে মাঝে ফুচকা খেতেও পারেন। শুধু ফুচকা খাওয়ার সময় কয়েকটা কথা মাথায় রাখতে হবে।
১। মিষ্টি চাটনি- ওজন কমাতে চাইলে মিষ্টি চাটনি এড়িয়ে চলুন। শুধু টক জল দিয়ে খান।
২। পরিমাণ- ফুচকা খেতে খেতে অনেকেরই হুঁশ থাকে না। গপগপ করে অনেকগুলো খেয়ে ফেলেন। ওজন কমাতে চাইলে পরিমাণ মাথায় রাখুন। অল্প করে খান। মনে রাখবেন কোনও খাবারই বেশি খাওয়া উচিত্ নয়।
৩। ফুচকা খাওয়ার সেরা সময়- ওজন কমাতে চাইলে কোন খাবার কোন সময় খাবেন সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফুচকা আমরা সাধারণত বিকেলের দিকে খেয়ে থাকি। কিন্তু ওজন কমাতে হলে সূর্য ডোবার পরে নয়। দুপুরেই খেয়ে নিন ফুচকা।
কী ভাবে খাবেন
এমনিতে ফুচকায় অস্বাস্থ্যকর কিছু থাকে না। আলু, ছোলা, মটর, ধনেপাতা, লেবু, কাঁচালঙ্কা সবই উপকারী। তবে যদি নিজের ব্যাপারে কঠিন হতে চান তবে যেগুলো এড়িয়ে চলতে পারেন-
১। সুজির ফুচকা- পানিপুরি ময়দারও হয়, আবার সুজির(সেভ পুরি) পুরিও হয়। ডায়েট মেনে খেতে চাইলে ময়দার ফুচকা খান। সুজির ফুচকা এড়িয়ে চলুন।
২। আলু- চাইলে ফুচকা থেকে আলু বাদ দিতে পারেন। তার বদলে শুধু ছোলা, মটরের ফুচকা খান। এতে ক্যালরি কিছুটা কমাতে পারবেন।
ঠিক কতটা খাবেন
লাঞ্চে ছ’টা ছোট ছোট ফুচকা খেতে পারেন। তার বেশি নয়। ইচ্ছা হলেও মাথায় রাখবেন কম পরিমাণ খাওয়া কিন্তু ওজন কমাতে খুবই জরুরি।
যেদিন ফুচকা খাবেন
যেদিন দুপুরে ফুচকা খাবেন সেদিন পুরো দিনের ডায়েট খেয়াল রাখুন।
১।নুন- ফুচকায় যেহেতু নুনের পরিমাণ বেশি তাই রাতে নুন কম দিন। পারলে নুন ছাড়া খাবার খান। শুধু ফল খেতে পারলে সবচেয়ে ভাল। এক বাটি পেঁপে, একটা আপেল ও এক গ্লাস লো ফ্যাট দুধ দিয়ে সেরে নিন ডিনার।
২। জল- ফুচকায় টক জল থাকার কারণে শরীর খুবই জল টানে। তাই যে দিন ফুচকা খাবেন সে দিন সারা দিন জল খাওয়ার উপর জোর দিন। দিনে অন্ত আট থেকে ১০ গ্লাস জল সে দিন অবশ্যই খান। জল ফুচকা ডিটক্স করতেও সাহায্য করবে।
এআই





