এসব সমস্যা দূর করতে নানা ধরনের ওষুধ খেয়েও মুক্তি মিলছে না।
এ সময় ঘরোয়া কিছু উপায়ে সমাধান চেষ্টা করতে পারেন-
(১) লবঙ্গ :
অ্যাসিডিটি হলে এক টুকরো লবঙ্গ মুখে রেখে চুষতে থাকুন। লবঙ্গে থাকা প্রাকৃতিক তেল অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করবে।
(২) দুধ :
দীর্ঘদিন ধরে শুকনো কাশি ওষুধেও খেয়েও যদি না কমে তাহলে এই প্রতিকারটি ব্যবহার করে দেখুন। সেজন্যে ৫-৬ টা খেজুর আধা লিটার দুধে প্রায় আধ ঘণ্টা ফোটান। কম আঁচে ফুটিয়ে দুধ কমে গেলে, এই মিশ্রণটি দিনে কমপক্ষে ৩ বার খান।
(৩) তুলসি :
প্রচণ্ড কাশি হলে তুলসি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। সেজন্যে তুলসির রসের সাথে সমপরিমাণ রসুনের রস এবং মধু মিশিয়ে খান। দিনে ৩ বার এই মিশ্রণটি খান। কাশি কমাতে সাহায্য করবে এই মিশ্রণ।
শুধু কাশি সারাতেই নয়, তুলসিতে থাকা উপাদান আরও অনেক সমস্যা কমায়। এতে থাকা অ্যান্টাসিড বৈশিষ্ট্য অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। এজন্য কয়েকটা তুলসি পাতা চিবিয়ে গিলে ফেলুন। তুলসি পাতা অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং আলসার হতে দেয় না। এটি খাদ্য শোষণেও সাহায্য করে।
(৪) তরমুজ :
গরমে যদি অসহ্য মাথাব্যথা হয়, তাহলে এক গ্লাস তরমুজের রস খান। মাথাব্যথা কমাতে তরমুজ দারুণ কার্যকর। কারণ এই ফলের বেশির ভাগই পানি। এর পাশাপাশি পটাসিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটও রয়েছে তরমুজে, যা শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে।
এন





