১. বরফ ও লবণের ব্যবহার

টেবিল ফ্যানের ঠিক সামনে একটি বড় পাত্রে বেশ কিছুটা বরফ রেখে দিন। এর ওপর সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিলে বরফ গলতে সময় নেবে। ফ্যানের পাখা চললে সেই বরফ-শীতল হাওয়া সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়বে, যা মুহূর্তের মধ্যে ঘরের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমিয়ে দেবে।

২. জানালার পর্দা ভেজানো

রোদের কারণে আমরা অনেকেই জানালা বন্ধ রাখি। তবে গরম হাওয়া আটকাতে জানালার পর্দায় পানি স্প্রে করে ভিজিয়ে দিন। বাইরের হাওয়া যখন এই ভেজা পর্দার ভেতর দিয়ে ঘরে ঢুকবে, তখন তা প্রাকৃতিকভাবেই ঠান্ডা হয়ে যাবে। এটি অনেকটা পুরানো দিনের ‘খসখস’ বা আধুনিক কুলারের মতো কাজ করবে।

৩. ক্রস ভেন্টিলেশন ও এগজস্ট ফ্যানের ব্যবহার

ঘরের গরম বাতাস বাইরে বের করে দেওয়া খুব জরুরি। সূর্যাস্তের পর ঘরের এগজস্ট ফ্যান চালিয়ে দিন। এতে ভেতরের ভ্যাপসা গরম হাওয়া বাইরে বেরিয়ে যাবে এবং বাইরের ঠান্ডা হাওয়া ঘরে ঢুকতে পারবে। এছাড়া বিপরীত দিকের জানালা খুলে রাখলে বাতাসের সঠিক চলাচল ঘরকে দ্রুত ঠান্ডা করে।

৪. গাছ ও সিলিং ফ্যানের কৌশল

ঘরের কোনায় বা জানালার পাশে মানিপ্ল্যান্ট বা অ্যালোভেরা জাতীয় ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। এই গাছগুলো ঘরকে প্রাকৃতিকভাবে শীতল রাখে। পাশাপাশি রাতে ঘুমানোর আগে সিলিং ফ্যানের ব্লেডগুলো পরিষ্কার করে রাখুন। ধুলো জমে থাকলে বাতাসের গতি কমে যায়, যা ঘরকে গরম করে তোলে।

এই ছোট ছোট কৌশল গুলো ব্যবহার করলে গরমেও আপনার ঘর থাকবে এসির মতো ঠান্ডা ও আরামদায়ক।

এমএম