রান্নায় জিরার ব্যবহার বাঙালির দীর্ঘদিনের অভ্যাস। এটি খাবারে বাড়তি স্বাদ ও গন্ধ যুক্ত করে। তবে শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, শরীরের নানা উপকারেও জিরার জুড়ি মেলা ভার।
হজম ক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি নানাবিধ পেটের রোগ সারাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি যেমন বিশেষ ভূমিকা নেয়, তেমনি অ্যাজমার প্রকোপ কমাতে এবং ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কাজে আসে।
সরাসরি জিরা সেবনের পাশাপাশি জিরা ভেজানো পানির উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরা।
সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরা ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই উষ্ণ পানি পান করুন। জিরা মিশ্রিত পানি পান করার গুণাগুণ অনেক। জিরার আরও অনেক উপকারিতা আছে, চলুন জেনে নেয়া যাক-
• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক • বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায় এই জিরা পানি।
• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। • ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও উপকারী।
• নিয়্ন্ত্রণে রাখে উচ্চরক্তচাপ। • ভাল রাখে লিভারের স্বাস্থ্য। • রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
• চুলের উজ্জ্বলতা বজায় রাখে। • বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে জিরা।
তবে কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন পারস্য, ব্যাবিলন এবং মিশরীয় সভ্যতায় জিরা খাওয়ার প্রচলন ছিল। শুধু রান্নাতেই নয়, এই জিরা অনেক রোগ থেকে দেয় সুরক্ষা। এজন্য আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়ও এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে বহুকাল থেকে।
এএস





