মুখ ও শরীরের পরিচর্যায় অনেকে ব্যবহার করেন নানা রকমের প্রসাধনসামগ্রী। যে কথা প্রথমে বলা ভালো তা হলো অপচয় যেন আমরা না করি। অনেক প্রসাধনী খুব বেশি ব্যবহার করেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনেকেই শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার অতিরিক্ত ব্যবহার করি। দাঁত ব্রাশ করার সময় আমরা অনেকেই কলের পানি ছেড়ে রাখি।

ভালো মানের প্রসাধনী বেছে নেওয়া বড় কাজ। এমন ময়েশ্চারাইজিং প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত যেগুলোতে আছে প্রচুর ভিটামিন ই। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের ক্ষতি করার প্রক্রিয়া হ্রাস করে। এতে বুড়ো হওয়ার গতি অনেকটাই ধীর হয়ে যায়।

অনেক শ্যাম্পুতেও থাকে পাম তেল। বলা হয় যে এতে চুল থেকে ময়লা দূর হয়। প্রাকৃতিক তেলকে পুনঃস্থাপন করে চুলকেও করে চকচকে ঝলমলে। সাবানেও আছে পাম তেল। কৃত্রিম প্রসাধনী দুই রকম আছে। কিছু ভালো, কিছু ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। ত্বকের পরিচর্যায় যে প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়, সেগুলোতে ভিটামিন ই থাকা ভালো।

এর উৎস প্রকৃতিজাত ও পরিবেশবান্ধব হলে আরও ভালো। রসুইঘরে থাকে যেসব উপকরণ সেসব উপকরণ ঘরোয়া রূপচর্চাতেও ভালো। বাজার থেকে প্রসাধনসামগ্রী বেছে, দেখে, বুঝে কেনা উচিত।সূত্র:প্রথম আলো

লেখক:অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী

পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।

এমআর