তিনি আরও বলেন, ‘এসব উদাহরণ এ জন্যই দিচ্ছি, যাতে মানুষ বুঝতে পারে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন লুটপাট করে তারা কীভাবে নিজেদের ভাগ্য গড়েছে।’

বুধবার বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, ‘আজ থেকে বিশ বছর আগে আমি যখন এমপি ছিলাম, তার পরেই কারচুপির নির্বাচন শুরু হয়। তখন তজুমদ্দিনে কোনো মাদকের বিস্তার ছিল না। কিন্তু গত পনেরো বছরে ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারাও মাদক খায়, কর্মীরাও মাদক সেবন করে। এসব এলাকা বাটপারের কারখানা হয়ে গেছে। আমি নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছি—যারা মাদকের সঙ্গে জড়িত, তাদের ধরে সরাসরি পুলিশের হাতে সোপর্দ করবেন।’

এর আগে তজুমদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শতাধিক অসহায়, পঙ্গু ও দুস্থ মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। পরে তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তর করা এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য একটি পার্ক নির্মাণসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে শুভেচ্ছা জানান।

এমএম