বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকরা যখন সুন্দরবন ভ্রমণে যায় তখন সঙ্গে করে পানির বোতল, প্লাস্টিকের বক্স, চিপসের প্যাকেটসহ অন্যান্য প্লাস্টিক সামগ্রী নিয়ে যায়। এ সমস্ত প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার শেষে পর্যটকরা নদীতে ও সুন্দরবনের মাঝে ফেলে দেয়। ফেলে দেওয়া এসব প্লাস্টিক নদী ও সুন্দরবনের পরিবেশের ওপর বিপর্যয় ঘটায়।
এ প্লাস্টিকের প্রভাবে নদীতে থাকা অনেক প্রাণী মারা যাচ্ছে। পরিবেশের এই বিপর্যয় ঠেকাতে বন বিভাগ পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ট্রলার ও বোর্ড মালিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শর্ত মানলে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে বলে জানা গেছে।
সুন্দরবন সাতক্ষীরার সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, বন ও পরিবেশমন্ত্রী সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষার্থে প্লাস্টিকসহ অন্যান্য ক্ষতিকারক দ্রব্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। এ বিষয়টি সকল ট্রলার মালিক ও পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে অনেকবার। এমনকি প্রতিটা ট্রঠলারে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন থাকলেও পর্যটকরা সেখানে প্লাস্টিক সামগ্রী না ফেলে নদীতে ফেলেন। এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে শনিবার সকাল থেকে মৌখিকভাবে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট সুন্দরবন এলাকার ট্রলার ও বোর্ড মালিক কর্তৃপক্ষের ডাকা হয়েছে। তারা পরিবেশ রক্ষার শর্ত মানলে পর্যটকদের সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।
এমআই





