শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি'র প্রভাবে ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রামে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

উপকূলীয় এলাকায় ৩ থেকে ৫ ফুটের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হতে পারে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যার মধ্যেই খেপুপাড়া দিয়ে প্রবেশের কারণে ভোলা, বরিশাল, সাতক্ষীরা ও বরগুনা অতিক্রম করবে। এর ফলে ওই সব এলাকায় ভারী বর্ষণ হবে।

এছাড়া রাত ১২টার পরে ঘূর্ণিঝড়টি পার হয়ে গেলে ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমে আসবে। আর বৃষ্টি শেষে সারাদেশে শীতের তীব্রতা বাড়বে।

আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, এই ঘূর্ণিঝড় খুব বড় ধরনের হবে না। তবে সতর্ক অবলম্বন করতে হবে। কারণ যেকোনো সময় এই বৃষ্টির কারণেও পাহাড়ধস হতে পারে।