রোববার (১৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন ডোনাল্ড লু।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে ডোনাল্ড লু বলেন, জিএসপি সুবিধা চালু হলে প্রথমে বাংলাদেশ এ সুবিধা পাবে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার আমাদের কেন্দ্রবিন্দু। এটা নিয়ে আমরা পরামর্শ দিই।

তিনি ঢাকা সফর প্রসঙ্গে বাংলায় বলেন, মনোমুগ্ধকর অতিথিপরায়ণ মানুষের দেশে বন্ধুত্ব শক্তিশালী করতে এসেছি।

ড. মোমেন বলেন, আমরা ভালো সাজেশন পেলে অবশ্যই সেটা নেবো। আমরাও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আওয়ামী লীগ বুলেটে নয়, ব্যালেটে বিশ্বাসী।

তিনি বলেন, গত ৫০ বছরে আমাদের (যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ) সম্পর্ক অনেক উন্নতি হয়েছে। আগামী এপ্রিলে আমাকে ওয়াশিংটন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে ঢাকায় পৌঁছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের বাসায় নৈশভোজে অংশ নেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ডোনাল্ড লু। এসময় দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।

সফরে বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নাগরিক সমাজের নেতাদের সঙ্গে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি শ্রম ও মানবাধিকার বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জানবেন লু। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।

এন