সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বিএফইউজে সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নূরুল আমিন রোকন এবং ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের বাধা অনাকাঙ্খিত এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, রোববার (১১ ডিসেম্বর) বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের খবর কভার করতে সাংবাদিকরা জাতীয় সংসদে যান।

এ সময় নাগরিক টিভির প্রতিবেদক সাইদ আরমান সংসদ ভবনের বাইরে দক্ষিণ প্লাজার পাশের রাস্তায় দুপুর ২টার সংবাদে লাইভ দেয়ার সময় একজন পুলিশ সদস্য অনাকাঙ্খিতভাবে তার মাইক্রোফোন কেড়ে নেন।

তিনি ওই সাংবাদিককে পুলিশ বক্সে আটকে রাখার চেষ্টা করেন এবং তাকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর কথা বলেন।

এ ঘটনা নাগরিক টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হয়েছে। যা দেখে বিবেকবান যে কেউ বিস্মিত ও আতকিংত হবেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা নানা নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা কালাকানুনের খড়গ, অন্যদিকে প্রবাবশালীদের মামলা হামলার হুমকি। এমন প্রতিকূল পরিবেশে স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতা কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ অবস্থায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যের মারমুখী ও জবরদস্তিমূলক আচরণ গোটা সাংবাদিক সমাজকে আহত করেছে।

নেতৃবৃন্দ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ( প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

এন