বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি সংকট তৈরি হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে এলএনজি খালাস করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালও বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চলছে।

তিনি জানান, টার্মিনালটি পুরো সক্ষমতায় চালাতে প্রায় ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হবে। কখন এটি বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, তা নিয়ে এক্সিলারেট এনার্জি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সঙ্গেও আলোচনা চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটির দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ করতে একটি প্রতিনিধি দল সেখানে গেছে। মালয়েশিয়া থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করছে সরকার।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে—এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তবে সার্বিক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি কবে স্বাভাবিক হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

এস