নজমুল আহসানের সুরতহালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন করার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মৃতের শরীরে ছিল চেক লুঙ্গি ও গায়ে হালকা বেগুনি রঙের পলো শার্ট। তার মাথা, বুক-পিঠ স্বাভাবিক ছিল। এছাড়া তার উভয় চোখ ছিল অর্ধখোলা।
অপরদিকে নাহিদ বিনতে আলমের সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে তার স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনে তার মৃত্যু হয়েছে। তারপরও সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে।
এদিকে এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কথা বলতে রাজি হননি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে মিরপুর মডেল থানায়।
পুলিশের সুরতহালের প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সী সাব্বীর আহম্মদ কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে জানাবেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, নজমুল আহসানের গ্রামের বাড়ি মাগুরা সদরের পুকুরিয়ায়। তিনি ১৯৯৬ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। রাজধানীর মিরপুরে সরকারি অফিসারস কমপ্লেক্সে পরিবার নিয়ে থাকতেন।
তাদের মৃত্যুর বিষয়ে ওসি বলেন, বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অফিসারস কমপ্লেক্সের বাসায় স্বামী-স্ত্রী উভয় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন নজমুল আহসানকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময়ে অসুস্থ নাহিদ বিনতে আলমকে নেওয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে মারা যান।
এসএম





