মিয়ানমারের মগ সেনাদের নির্যাতনে রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে অস্থায়ী ভাবে আশ্রয় দেওয়ার জন্য কুতুপালং এলাকায় ৫ হাজার একর জমি বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বচক্ষে দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের শরণার্থীর মর্যাদা দিয়ে সরকার তাদেরকে যাবতীয় সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করবেন। ওরাও মানুষ আমরা তাদেরকে এমন সময়ে মিয়ানমারের ফেরত পাঠাতে পারি না।
তাদের প্রতি মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে। যতদিন তাদের দেশে ফেরত যাওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি না হয় ততদিন তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে পাঠিয়েছেন রোহিঙ্গাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করার জন্য। আন্তর্জাতিক ভাবে মিয়ানমারের উপর চাপ সৃষ্টি করে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।
গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ক্যাম্পের অভ্যন্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী একথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা এদেশে প্রবেশ করেছে। তাদের প্রবেশ অব্যাহত থাকলে দেশের অবস্থা বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের প্রতিরোধে সরকার কোন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পত্রিকায় পড়েছি ৫৩ মাইল হেঁটে ২ ছেলে তার মাকে কাঁধে করে এপারে নিয়ে এসেছেন। এ অবস্থায় আপনি হলে কি করতেন এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন সাংবাদিকদের উপর।
তাই সর্বক্ষেত্রে মানবিকতা বিবেচনা করে সরকার নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পক্ষে থাকবেন। এসময় মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোঃ শফিউল আলম, দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা সচিব শাহ কামাল, উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি, কক্সবাজার সদর- রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন, পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) চাইলাউ মারমা, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের উপস্থিত ছিলেন।
মানিক/জেড
















