সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমসের (আইএফইএস) আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ শীর্ষক এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি।

সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে নির্বাচন কমিশন অনেক কিছু শিখেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগের নির্বাচনের তুলনায় আরও ভালোভাবে আয়োজনের চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে মানদণ্ড তৈরি করেছে, কোনোভাবেই তার নিচে নামার সুযোগ নেই। বরং সম্ভব হলে সেই মান আরও উন্নত করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি অনেকটাই সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে দুর্গাপূজা, বর্ষাকাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা এবং স্কুলশিক্ষকদের প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।

সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ সরকার নির্ধারণ করবে না। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা প্রসঙ্গে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, অতীতে এসব নির্বাচনে তুলনামূলক বেশি সহিংসতা দেখা গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীকে যথাযথভাবে মোতায়েন ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একা প্রস্তুতি নিলেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। পুলিশসহ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সব বাহিনী ও সংস্থার প্রস্তুতিও প্রয়োজন। নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সিইসি জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এস