দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগত মানুষদের শৌচকর্মে কেউ যেন সমস্যায় না পড়েন, সে জন্য পুরো অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে স্থাপন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি মোবাইল টয়লেট ইউনিট।

পানীয়জলের চাহিদা মেটাতে মানিক মিয়া এভিনিউ জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক। যেকোনো মানুষ সেখানে গিয়ে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারছেন। বিশেষ করে এই গরমের দিনে এটি আগতদের জন্য বিশেষ স্বস্তির ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে।

m2-20250805132544

খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন আয়োজন করেছে একটি স্টল, যেখানে থেকে তারা খাবার কিনে খেতে পারবেন। পাশাপাশি আরও কিছু বেসরকারি খাবারের স্টলও চোখে পড়েছে। এতে করে যারা সকাল থেকে অনুষ্ঠানে রয়েছেন, তারা সহজেই খাবারের ব্যবস্থা পাচ্ছেন।

নিরাপত্তার বিষয়েও আয়োজকরা বেশ সতর্ক। পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিটি করপোরেশনের টিম, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এবং ইন্টারনেট সার্ভিস টিমের গাড়িও মাঠে রয়েছে। ফলে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক সহায়তা মিলছে।

m4-20250805132517

অনুষ্ঠানটি শুধু মূল মঞ্চেই সীমাবদ্ধ নয়, পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ জুড়ে বসানো হয়েছে আরও ৪টি জায়ান্ট স্ক্রিন। যার মাধ্যমে দূর থেকেও আগত মানুষরা অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। এতে সামনের দিকে ভিড়ের চাপও কিছুটা কমবে এবং সবাই সমানভাবে অংশ নিতে পারবেন এই আয়োজনে।

সব মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল, জনবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ ও গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন।

এনএইচ