দেশের ৪৩তম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে সমবেত কণ্ঠে লাখো মানুষ গাইবেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। তিন লাখ মানুষ একসঙ্গে একই সুরে গাইবেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’।
ভোর ৫ টা থেকে হাজার হাজার মানুষ পতাকা ও নানা রকম ফেস্টুন নিয়ে জড়ো হতে শুরু করেছেন জাতীয় প্যরেড গ্রাউন্ডে । সকাল সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ প্যরেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করেছেন কাউন্টিং মেশিনের বরাত দিয়ে জানানো হয়।
ফার্মগেট-বিজয় সরণি, মিরপুর, আসাদগেট দিয়ে যেন মানুষের স্রোত বয়ে যাচ্ছে। সবারই গন্তব্য প্যারেড গ্রাউন্ড। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকা। এরই মধ্যে রোকেয়া স্বরণীসহ আশে-পাশে সব ধরনের যানবহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
'জাতীয় সংগীত গাইব, বিশ্ব রেকর্ড গড়বো' স্লোগান নিয়ে প্যারেড গ্রাউন্ডে সমবেত হবেন তিন লাখ মানুষ। সবাই এক সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে সৃষ্টি করবেন এক অনন্য ইতিহাসের। এর আগে কোথাও এত মানুষ একসঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে একজোট হননি। 'গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানোর প্রত্যয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেয়া হয়েছে অনন্য এই উদ্যোগ। এই অভূতপূর্ব আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। আর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
বুধবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশের জন্য দুয়ার উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে সকাল সাড়ে ছ'টায়। শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বেলা ১১টায় লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হবে জাতীয় সঙ্গীত। পরপর তিনবার গাওয়া হবে গানটি। শুধু প্যারেড গ্রাউন্ডেই নয়, সারাদেশের মানুষকেই সকাল ১১টায় যে যেখানে রয়েছেন সেখানে দাঁড়িয়ে এ জাতীয় সঙ্গীতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশ নেবেন। তিনি সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে প্রবেশ করবেন এবং সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেবেন। এরপরই শুরু হবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন পর্ব।
সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনায় আব্দুল জব্বার, ফাতেমা তুজ জোহরা, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, মীতা হক, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, তপন মাহমুদ, তিমির নন্দী, বুলবুল মহলানবীশ, শাহীন সামাদ, সুজিত মোস্তফা, ফরিদা পারভীন, চন্দনা মজুমদার এবং ফকির আলমগীরসহ দেশ বরেণ্য শিল্পীরা অংশ নেবেন।
এই বিশাল আয়োজনকে স্বীকৃতি দিতে গিনেজ বুক কর্তৃপক্ষের মনোনীত প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থাকবেন। প্রতি ৫০ জনে কমপক্ষে একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করবেন। সঠিক সুরে, সঠিক সময়ে, উচ্চৈঃস্বরে একসাথে জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম ১০ লাইন গাইতে পারলেই বাংলাদেশ স্থান করে নেবে গিনেজ বুকে। তবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫ শতাংশও যদি গুনগুন করে অথবা ভুল করে তাহলে এই আয়োজন সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ হবে।
প্যারেড স্কোয়ারের মোট পাঁচটি প্রবেশ দ্বার দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ভেন্যুতে প্রবেশ করবেন। প্যারেড স্কোয়ারের উত্তর দিক থেকে আসা অংশগ্রহণকারীগণ মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর দিয়ে এসে রোকেয়া সরণির উত্তর প্রান্ত দিয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ করবেন। পশ্চিম দিক থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা শ্যামলীর শিশু মেলার রাস্তা ও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের রাস্তা দিয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ করবেন। দক্ষিণ থেকে আসা অংশগ্রহণকারীগণ বিজয় সরণির পূর্ব প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে সামরিক জাদুঘরের পাশের রাস্তা হয়ে বিজয় সরণির দক্ষিণ প্রান্ত দিয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ করবেন। ছাত্র-ছাত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সেনানিবাসের ভেতর দিয়ে প্যারেড স্কোয়ারের পেছন দিক দিয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ করবেন।
প্রতিটি গেট থেকে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণকারীদের গাইড করে জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারের ভেন্যুতে নিয়ে আসবেন। এছাড়াও সমাবেশ স্থলে প্রবেশ, অবস্থান ও স্থান ত্যাগের ব্যাপারে সশস্ত্র বাহিনীর কর্তব্যরত সদস্যদের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদেরকে ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি সঙ্গে নিতে নিষেধ করা হয়েছে।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে সংসদ ভবন এলাকারখেজুর বাগান, বিজয় সরণি মোড় হতে চন্দ্রিমা উদ্যান, শ্যামলী শিশু মেলা থেকে আগারগাঁও মোড়, মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে এর উত্তর পাশের রাস্তা এবং বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহন চলবে না। অংশগ্রহণকারীদের পূর্ব নির্ধারিত গাড়িতে বহন করা হবে। শুধু আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া ব্যক্তিগত কোন গাড়ি আনা যাবে না।
[b]ঢাকা, ২৬ মার্চ/ একে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর // কেবি
[/b]
প্যারেড গ্রাউন্ড অভিমুখে পতাকা হাতে লাখো মানুষের স্রোত
দেশের ৪৩তম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে সমবেত কণ্ঠে লাখো মানুষ গাইবেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। তিন লাখ মানুষ একসঙ্গে একই সুরে গাইবেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’।
শত্রুর হামলার জবাব দিতে ভৌগোলিক সীমা মানবে না ইরান: মোজতবা খামেনি
শত্রুপক্ষের যেকোনো সম্ভাব্য সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলার জবাব দিতে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনা না করে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত পুরোপুরি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেছেন, প্রণালিটি বর্তমানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা ‘মক্কা-মদিনায় হামলা করিনি’
ইয়েমেনের এডেনে অবস্থিত একটি সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছেন হুথিরা। বুধবার এক বিবৃতিতে হুথি সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এডেনের বদর ক্যাম্পে অবস্থিত একটি সৌদি অপারেশনস রুমে হামলাটি চালানো হয় এবং সেটি নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
মক্কা চুক্তির মূল দলিল প্রকাশ্যে, কী আছে এতে?
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ মঙ্গলবার দেশটির সংসদে জমা দিয়েছে তুরস্ক সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এ পরিস্থিতিতে আক্রান্ত দেশকে অন্য দেশগুলো সামরিক সক্ষমতাসহ পারস্পরিক সহায়তার সব উপায় কাজে লাগিয়ে সহযোগিতা করবে।
জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জাতীয় পতাকা অর্জনের অর্থ হলো অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ।
















