সৌদি রাজা বাদশাদের ইফতারের টেবিলে এখন হয়তো ইয়াবড় টার্কি, খাশি, উট, দুম্বার রোস্ট এর আয়োজন চলছে। হয়তো কোনো আরব শেখের ছেলে ইউএস-এর নাইটক্লাবে সুন্দরী ললনার রূপরসে মত্ত।
সৌদিরা তেল বিক্রি করে ব্রিটিশ, আমেরিকান, জার্মানদের কাছে। জর্ডানিরাও একটু পানির হিস্যার জন্য ফিলিস্তিনিদের রক্তের সাগর বয়ে যাওয়া উপভোগ করছে।
আজকে যদি একটা ইসরাইলি শিশু মারা যেত তখন জাতিসংঘের মহাসচিব, ওবামা, এমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অথবা শেখ হাসিনা -সবাই মানবতা গেলো, মানবতা গেলো বলে চিৎকার দিত। ওবামা বলতেন, ন্যাটো নিয়ে আমি এখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিহাদ (যুদ্ধ) করবো।
কিন্তু আমাদের মুসলিম দেশের নেতারা একটা শব্দও করেনা। করবেনা, কারন এরা নামধারী মুসলিম।
আপনার কাছে কেমন লাগবে, যখন আপনি ভুখা থাকবেন, আপনার ঘরে মানুষ মরবে, অথচ পাশের বাড়ির আপনারই ধর্মের ভাই আপনার বাবার খুনির কাছে তেল বেচে মোটা টাকা দিয়ে ফূর্তি করবে, মাস্তি মারবে।----বদ্দোয়া দেবেন না আপনি?
আপনার দিল কি আল্লাহপাকের দরবারে কেঁদে বলবে না, ও আল্লাহ! আমার মুসলিম ভাই আমাকে একটু দেখলোও না, সাহায্যের হাত বাড়ালো না, ও আল্লাহ! তুমি সব দেখসো, সব!
আল্লাহ তো শুনবেন, শুনছেন, দেখছেন। যারা চলে গেছেন, উনারা বেঁচে গেছেন। আমরা আমাদের হিসাবের খাতায় কি নিয়ে যাচ্ছি ,ওটাই ভাববার বিষয়।
যতদিন মুসলিম নেতৃবৃন্দ ঠিক হবেন না, ততদিন কিছু করার নেই। কারণ কিছু করতে হলে ক্ষমতা দরকার। আমরা শুধুই ঘৃণা প্রকাশ করতে পারি, যেটা ঈমানের সর্বনিম্ন লেভেল।
ঘৃণা প্রকাশ করেই যাবো, অনলাইনেই করবো, কারণ তথাকথিত মুসলিম নেতৃবৃন্দ আমাদের হাত পা বেঁধে রেখেছে। সৌদি, ইরানিরা আমার ভাই- বোনের খুনির কাছেই তেল বেচবে।
আল্লাহপাক, রোজা-রমজানের দিনে তোমার কাছে মোনাজাত করি, এই বিশ্বে তুমি সত্যিকার মুমিন মুসলিম নেতৃবৃন্দ দান করো, যারা আমার মা -বোন, বাবা-ভাই এর খুনির সাথে ব্যাবসা করবেনা!
ও মাবুদ! আমাকে সহ বাকি মুসলিমদের তুমি ক্ষমা করো, যাদের ঘৃণা প্রকাশ ছাড়া কিছু করার নেই। আল্লাহ! ফিলিস্তিনি মুসলিমদের তুমিই তোমার রহমতের ছায়াতলে রাখো, হায়েনা ইসরাইলিদের বুলেট থেকে ওদের বাঁচাও। মাবুদ! তুমি ছাড়া ওদের কেউ নেই,কেউ নেই।

ঢাকা, ১৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি) কেবি





