একথা সন্দেহাতীতভাবে সত্যি ছিল যে, শেখ মুজিবই বাংলাদেশের সবচাইতে জনপ্রিয় নেতা, কিন্তু তার সহযোগীদের মধ্যে এমন কেউ ছিল না যার ওপর তিনি নির্ভর করতে পারতেন। আওয়ামী লীগের ভেতর নেতৃত্বের কোন্দল কোনো নতুন বিষয় ছিল না। কিন্তু বিষয়টি তখন মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। কারণ তার সহযোগীরা প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থ ও মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করছিল। এটা পরিষ্কার ছিল যে শেখ মুজিবের সহযোগীরা একে অপররের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। তাই শেখ মুজিব তাদেরকে এই ধরনের অন্তর্কলহে লিপ্ত রাখার কৌশল অবলম্বন করেছিলেন যাতে তার নেতৃত্ব হুমকির সম্মুখীন না হয়।
খন্দকার মোশতাক আহমেদ এ ধরনের ষড়যন্ত্রের জের ধরেই মন্ত্রীত্ব হারিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে তাকে পুনরায় মন্ত্রী সভায় নিয়েছিলেন। তাজউদ্দিন আহমদে ও নজরুল ইসলাম বুঝতে পেরেছিলেন যে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ করার ব্যাপারে শেখ মুজিবের আগ্রহ ছিল কম। কিন্তু শেখ মুজিবের নেতৃত্বকে চ্যলেঞ্জ করার মতো ক্ষমতা তাদের ছিল না। সেকারণে তারা নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার চেয়ে শেখ মুজিবের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছিলেন অকুন্ঠ চিত্তে। অবশ্য এই দুইজন নামকরা আওয়ামী লীগ নেতা দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েছিলেন।
তখনও সারাদেশে বিভিন্ন নামের সংগঠনের সশস্ত্র গ্রুপ আলাদাভাবে সক্রিয় ছিল। শেখ মুজিব ছাড়া অন্য কারো পক্ষে এই ধরনের সশস্ত্র বাহিনীগুলোকে ঢাকায় অবস্থিত সরকারের প্রতি আনুগত্যের দিকে আনা সম্ভব ছিল না। শেখ মনি, নুরে আলম সিদ্দিকী, তোফায়েল আহমেদ ও শাহজাহান সিরাজ নামের এই চার নেতা প্রকাশ্যেই শেখ মুজিবের আনুগত্য স্বীকার করেছিলেন। কিন্তু তারা আওয়ামী লীগ সরবকারের অধীনস্ত হতে চায়নি। ঢাকায় শেখ মুজিবের পদার্পণের পরেই কেবল এই বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছিল। এর পূর্ব পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীগুলো আওয়ামী লীগের নির্দেশের তোয়াক্কা করেনি। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আইনশৃংখলা বজায় রাখাই ছিল সরকারের প্রধান দায়িত্ব। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে শেখ মুজিব সকলের জন্যই ত্যাগ, অপরিহার্য নাম ও বাস্তবতায় রুপান্তরিত হয়েছিলেন।
শেখ মুজিব স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে রীতিমতো বিপাকেই পড়ে যান। তিনি যদি আওয়ামী লীগকে এতা উপরে না তুলতেন তবে অন্যেরা এ দলটির ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়তে পারতেন। তারপরও বলা যায় যে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে শেখ মুজিবের জন্য আওয়ামী লীগ হয়ে পড়েছিল একটি বিরাট বোঝা। তিনি নানাভাবে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে তিনি দল থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চান।
শেখ মুজিব ধীরচিত্ত ছিলেন এই বিশ্বাসে যে আওয়ামী লীগ ছাড়া তিনি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবেন। তিনি আরো বুঝেছিলেন যে, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন ছিল তড়িৎ কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত। কিন্তু আওয়ামী লীগের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও দলটির অপরিণামদর্শীতার কারণে কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছিল না। অধিকন্তু আওয়ামী লীগের কলহপ্রিয় রাজনীতির কারণে জাতীয় রাজনীতিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ইতিবাচক ভূমিকা পাওয়া যাচ্ছিল না।
এমনই এক প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিব চাইলেন যে বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলই থাকবে না বা অন্তত পক্ষে রাজনীতিতে কোনো প্রতিযোগিতামূলক লড়াই চলবে না। এবার তিনি পরিকল্পনা করলেন কীভাবে অন্তর্কলহে লিপ্ত আওয়ামী লীগকে ইতিহাসের পাতা থেকে বিদায় দেয়া যায়। তিনি নিশ্চিত হলেন যে এ ধরনের রাজনৈতিক দল ছাড়াই বাংলাদেশ উন্নতি করবে। কিন্তু মুজিবকে ছাড়া বাংলাদেশের উন্নতি কল্পনা করাই যেন ছিল অসম্ভব।
শেখ মুজিব নিজেই নিজেকে যখন বাংলাদেশ ভেবে বসলেন তখন তিনি এ বাস্তবতা ভুলে গেলেন যে তিনি নিজেই তো মূলত আওয়ামী লীগ। অন্য কথায় বাংলাদেশের সমস্যা আর তার সমস্যা একই রুপ অর্থাৎ কে থাকবে, আর কে রক্ষা পাবে না এটাই বড় সমস্যা হয়ে উঠলো। বাস্তবতাও বলছিল যে আওয়ামী লীগ ছাড়াও শেখ মুজিবের পক্ষে তার কর্তৃত্ব বেশিদিন ধরে রাখা সম্ভব হবে না। এমনকী তার জনপ্রিয়তাতেও ধস নামতে পারতো। পরিস্থিতিটা যেন জুয়াখেলার রীতিনীতিতে আবর্তিত হয়ে পড়ছিল। অর্থাৎ রাজনীতির এই রঙ্গমঞ্চে শেখ মুজিবের পক্ষে সবকুল রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছিল না।
শেখ মুজিব এবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। রাষ্ট্রপতির পদে একজন নির্দলীয় ব্যক্তিকেই বেছে নিলেন। রাষ্ট্রপতি একেবারেই নামসর্বস্ব পদে রুপান্তরিত হলো। শেখ মুজিব নিজেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরাসরি নির্দেশনার ভূমিকায় নামলেন। তার আচরণ এমন ছিল যে সবাই তাদের ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দরবারে হাজির হতেন। যেকোনো মানুষই শেখ মুজিবের দরবারে সাহায্য প্রার্থী হতে পারতেন। সবাইকেই তিনি আশাবাদের বানী শোনাতেন। অনেকে আবার এই পথ ধরেই নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে নিতেন।
উল্লেখ করা যায় যে, শেখ মুজিব তখন ব্যক্তিগতভাবে খুবই উদার প্রকৃতির এবং দয়ালু নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন এবং সারাদেশে তা প্রচারিত হয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন যে শেখ মুজিব কথার সাহায্যে সব সমস্যার সমাধান দিতে পারতেন। মুজিব বিশ্বাস করেছিলেন যে তার কথাতেই কাজ হচ্ছে এবং বাস্তবে তা রুপান্তরিত না হলেও চলবে। শেখ মুজিব তার আচার আচরনের প্রতি সমালোচনার দৃষ্টি দেননি বা নিজেকে কখনো ধোকাবাজির আসনে রেখেছেন বলেও বিশ্বাস করেননি; বরং তার আচরণ সামান্ত রাজাদের মতোই মনে হচ্ছিল।
সামন্ত প্রভূরা যেমন একটি বিশাল পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি ভালো ও মিষ্টি কথা বার্তা বহন করেন বা সহানুভীতি প্রদর্শন করেন, শেখ মুজিবের ভূমিকাও তদ্রুপ ছিল। অথচ তার রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা পালনের ক্ষেত্র কেবলই সংকুচিত হয়ে আসছিল। পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার ব্যপারে তার বিশেষ ধরনের কৃতিত্ব দাবি করার মতো নয়। শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু হিসেবে ভালোই ছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত দুর্বল।
শেখ মুজিবের ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই মহান নেতার পক্ষে বাস্তব সমস্যার কোনো সমাধান খুঁজে পাওয়া ছিল অসম্ভব ব্যাপার। উদাহরণস্বরুপ বলা যায় যে তার প্রথম প্রেস সেক্রেটারি ছিলেন এমন একজন সাংবাদিক যিনি পাকিস্তানের পক্ষ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার কাজে লিপ্ত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বাঙ্গালি জাতির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল এর তীব্রতা অনুধাবন করতে ব্যক্তি মুজিবের কষ্ট হয়েছিল। তিনি বুঝতেই সমর্থ ছিলেন না যে তার এ ধরনের সিদ্ধান্ত তার আশ-পাশের বহু নেতাকর্মীকেই করে তুলেছিল ক্ষিপ্ত।
শেখ মুজিবের মতো জনপ্রিয় নেতাও জনরোশানলে পড়ে প্রেস সেক্রেটারিকে পদ থেকে অপসারণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় অপসারিত ঐ সাংবাদিককে আবার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল রাষ্ট্রদূত হিসেবে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে বুঝা যায় যে শেখ মুজিব বাঙ্গালির চিন্তাধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন বা জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো ভুল করছিলেন।
শেখ মুজিব প্রকৃত প্রস্তাবেই পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন আমলাদের স্ব স্ব পদে বহাল রেখেছিলেন। অথচ ঐ সকল আমলারা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের “নিমকের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা” রেখেই কাজ করে যাচ্ছিলেন। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশে যে সকল আমলারা পূর্ব পাকিস্তান সরকারের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করতেন না। অথচ মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের পর ঐ সকল আমলারাই পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বনে যায়।
অনেক আমলা আবার রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনাতে আস্থা রাখতে পারেননি। এসব সুবিধাবাদী আমলারা রাজনীতিবিদদের সাথে বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেনি আবার স্বাধীণতা-উত্তরকালে নতুন এই স্বাধীন রাষ্ট্রটিকে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। এদের মধ্যে আবার অনেকে ছিলেন ভারতবিরোধী। ভারতবিরোধী আমলারা বিশ্বাস করতেন যে নতুন দিল্লী কেবল বাংলাদেশ সৃষ্টির পর লাভবান হবে। তবে অধিকাংশই ছিলেন তাদের জীবিকা নির্বাহের হাতিয়ারের কাছে বন্দী এবং কাজ করে গেছেন গতানুগতিকভাবে। অপেক্ষা করেছেন বাঙ্গালির নিধনযজ্ঞের যেকোনো পরিসমাপ্তির জন্য।
ইসলামাবাদের প্রতি অনুরক্ত বাঙ্গালি আমলারা যে বাংলাদেশের উন্নতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে সমর্থ ছিলেন না এ কথা বুঝতেও নতুন সরকারের অনেক সময় লেগেছে। অন্যদিকে বাঙ্গালি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের খামখেয়ালিপনায় আমলারা ছিলেন বিরক্ত। ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করার পরই শুধু বাঙ্গালি আমলারা বুঝতে পেরেছিলেন বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে একটি বাস্তবতা। তাই অবস্থা বুঝেই তারা আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে নিজেদের আবিস্কার করেন। শেখ মুজিব এসকল আমলাদের মধ্যে হোমড়া চোমড়া অনেককেই ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন। তার বিশ্বাস ছিল তার স্বজাতীয় এসব আমলাদের প্রতি। আর সে বিশ্বাস থেকেই তিনি ঐ আমলাদের ওপর আস্থা রেখে কাজ করেছিলেন।
এমন কী যারা পাকিস্তানিদের সাথে দালালির কারণে চাকরি হারিয়েছিলেন তাদেরকেও শেখ মুজিব মাফ করে দিয়েছিলেন। ফলে সকল দিক থেকেই শেখ মুজিবের অবস্থান দুর্বল হতে লাগলো। এখানে অনেকে হয়তো শেখ মুজিবের উদারতার কথা বলবেন। তবে শেখ মুজিবকে ইতিহাস এখানে ভালোভাবে বিচার করবে না; বরং ইতিহাসের দৃষ্টিতে তিনি যেন বাঙ্গালি জাতির আত্মত্যাগের ইতিহাসের সাথে বৈরিতা করেছেন। শেখ মুজিব ঐ ধরনের দুষ্ট আমলাদেরকে পদ থেকে সরিয়ে তার প্রশাসন পরিস্কার করতে পারতেন। ঘরের এ পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিলো। কারণ এই সব আমলাদের অনেকেই ছিলেন দূর্ণীতিপরায়ন ও অদক্ষ।
মুক্তিযুদ্ধের পর জাতীয় প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমলাদের প্রয়োজন ছিল প্রনিধানযোগ্য। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো সরকারের অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আমলাতন্ত্র ছিল নিজের পায়ে অটুট। এ প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ক্ষমতার কাছে আমলারা মূলত নতি স্বীকার করেনি। ফলে পুরো প্রশাসনযন্ত্র বিকল হয়ে যাচ্ছিল। শেখ মুজিব নিজেও যে ধরনের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতেন তাও পালিত হতো না। বরং পর্দার আড়ালে স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের মতো করে সকল কার্য সমাধা করে নিত।
বাঙ্গালিদেরকে বস্তুগত বিচারে দরিদ্র বলা চলে, কিন্তু বিচার বুদ্ধি ও রাজনৈতিক সচেতনতার দিক থেকে বাঙ্গালিরা পাক ভারত উপমহাদেশে এক শ্রেষ্ঠ জাতি। তাই জাতি হিসেবে বাঙ্গালিরা শেখ মুজিবের প্রত্যাবর্তনের কাছ থেকে অনেক কিছুই আশা করেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু তাদের আশা মোতাবেক এক সোনালী ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সমগ্র জাতিকে। বাঙ্গালির এ মুক্তি আন্দোলনের ইতিহাস সহস্র বছরের অতীত কাহিনীর সাথে সংযুক্ত। বাঙ্গালি শাসকগোষ্ঠী সব সময় নিরীহ জনতাকে বঞ্চিত করে একচেটিয়াভাবে সবকিছু ভোগ করে আসছিলেন বহু শতাব্দি ধরে।
(সূত্র: এককালের বিশ্ববিখ্যাত রাজনৈতিক গবেষক ও আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Dr.Lawrence Ziring-এর বিখ্যাত ইতিহাসগ্রন্থ “Bangladesh: From Mujib to Ershad: An Interpretive Study” এর অনুবাদ “বাংলাদেশ: মুজিব থেকে এরশাদ: একটি বিশ্লেষণধর্মী ইতিহাস”-বই থেকে নেয়া। বইটিকে বাংলায় ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আইনবিজ্ঞান ও রাজনীতিতে আইনের প্রয়োগ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষক অধ্যাপক ড. মাইমুল আহসান খান। এই লেখাটি নেয়া হয়েছে বইটির ১০৮ থেকে ১১২ পৃষ্ঠা থেকে)
বি. দ্র. মতামত একান্তভাবে লেখকের নিজস্ব বিষয়। এর সাথে টাইমনিউজবিডির সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।





