খুব সম্প্রতি ইরানের রাজধানী তেহরানে আমি একটি বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিলাম। আসমান-জমিন এবং আমাদের জীবনের মালিক মহান প্রভু সম্ভাব্য ভয়াবহ সে দুর্ঘটনা থেকে একদম নিরাপদে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। আজকের লেখাটিতে প্রধানত থাকবে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কিত আমার এ অভিজ্ঞতা, ইরানে সড়ক দুর্ঘটনার পরিস্থিতি এবং এদের উন্নত কিছু কালচার নিয়ে আলোচনা। এ আলোচনার মধ্যদিয়ে মূলত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও জনগণের জন্য কিছু মেসেজ দেয়ার চেষ্টা করব।

কি ঘটেছিল সেদিন

লেখার শুরুতেই সম্ভাব্য দুর্ঘটনা বললাম এ কারণে যে, আমি চোখের সামনে দেখেছিলাম কত বড় দুর্ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল। কিন্তু মহান প্রভুর অশেষ শুকরিয়া অলৌকিকভাবে সে দুর্ঘটনা এড়ানো গেল এবং আমরা সবাই নিরাপদে বেঁচে গেলাম! দুর্ঘটনাটি এড়ানো না গেলে হয়ত কয়েকটি গাড়ির লোকজন হতাহত হতেন এবং আমরা যে প্রাইভেট কারের যাত্রী ছিলাম সেই তিনজনের একজনও বেঁচে নাও থাকতে পারতাম।

ঘটনাটি খুলেই বলি। গত ৮ নভেম্বর শনিবার বাসা থেকে গাড়িতে করে অফিসে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিলাম। আমি এবং রেডিও তেহরানের হিন্দি বিভাগের আখতার আব্বাস নামে একজন কর্মী ছিলাম প্রাইভেট কারের যাত্রী। অফিসের গাড়ি; সে কারণে ড্রাইভারও বেশ শান্ত স্বভাবের মানুষ।

সাধারণত ইরানের সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি’র অধীনে থাকা বিশ্ব কার্যক্রমের বিভিন্ন রেডিও এবং টিভি প্রোগামে চাকরিরত বিদেশিদেরকে বাসা থেকে অফিসে এবং অফিস থেকে বাসায় আনা নেয়ার জন্য জন্য ইরান অথরিটি যথেষ্ট দক্ষ, যোগ্য এবং তুলনামূলক শান্ত স্বভাবের ড্রাইভার নিয়োগ দেন। বিদেশি হিসেবে আমাদের প্রতি এক ধরনের আলাদা সহমর্মিতা প্রকাশ পায় এর মাধ্যমে।

যাহোক, সেদিনের ড্রাইভার কাসেমাবাদিও ছিলেন তেমনই শান্ত প্রকৃতির মানুষ। তবে তার একটা সমস্যা আছে। সমস্যাটা হলো এই যে, তিনি গাড়ি চালানোর সময় আমাদের যাত্রীদের সঙ্গে সর্বসাম্প্রতিক প্রযুক্তি থেকে শুরু করে আধ্যাত্ম্যবাদের মতো গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বাদ দেন না। এদিনও যথারীতি তাই শুরু করলেন।

আমি গাড়ির পেছনে বসে। রেডিও হিন্দির ভারতীয় নাগরিক আখতার আব্বাস সামনে এবং শুরু হলো ড্রাইভার কাসেমাবাদির প্রযুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা। মহল্লা ছাড়িয়ে মহাসড়কে পড়লাম, গাড়ির গতিবেগ বাড়লো এবং তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা চলতে লাগলো। আমি এতে মোটেই আগ্রহী ছিলাম না বলে পেছনে চুপ করে বাংলাদেশ, শৈশব-কৈশোর, স্কুল জীবন, বন্ধুদের কথা, এই শীত মৌসুমে কৈশোরের মিষ্টি স্মৃতিগুলো আর নিত্যদিনের সুখ-দুঃখ, ভালোলাগা-ভালোবাসার নানা কথা ভাবছিলাম।

এরইমধ্যে আমাদের গাড়িটি চার লেনের মহাসড়কের সর্বোচ্চ গতির লেন দিয়ে চলতে শুরু করেছে। অনেকগুলো রাস্তা ছাড়িয়ে আমরা এসে পড়লাম ‘খেয়াবনে ইয়াদেগর’ বা ইয়াদেগর মহাসড়কে। গাড়ি চলছিল ৯৫/১০০ কিলোমিটার গতিতে। হঠাৎ দেখি সামনে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে এবং তা দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ড্রাইভার তো গল্পে মশগুল! তিনি কি দেখেছেন আর কি দেখেন নি জানি না...যখন বুঝে উঠলেন তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। মাত্র চার/পাঁচ হাত দূরে তখন আমাদের গাড়ি। দেখলাম আমাদের গাড়িটা সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িটাকে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দিতে যাচ্ছে। আমি উচ্চ শব্দে পবিত্র কুরআন শরীফের একটা আয়াত বলে উঠলাম- “ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” আমি শুধু কল্পনা করলাম এখনই আমাদের গাড়ি সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িটিকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দেবে আর সবকিছু চুরমার হয়ে যাবে।

আমার ভাবনা কল্পজগতে থাকতেই মুহূর্তের মধ্যে ড্রাইভার কাসেমাবাদি তীব্র গতিতে গাড়ির মোড় ঘুরিয়ে দিলেন। অসম্ভব ক্ষীপ্রতায় তিনি ডান দিকে টার্ন করলেন। একসঙ্গে বেজে উঠলো অনেকগুলো হর্ন তবে তীব্র নয়, খানিকটা মৃদু শব্দে। এত অল্প সময়ের ভেতরে কি কি ঘটেছে তা বুঝে উঠতে পারলাম না; তীব্র কোনো ঝাঁকুনিও অনুভব করলাম না। সবকিছুই ঠিক আছে দেখলাম। ধীরে ধীরে আমাদের গাড়িটা রাস্তার ডান দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সামনেই আরেকটি সাদা প্রাইভেট কার দাঁড়িয়ে। একজন লোক হাতের ইশারায় আমাদের গাড়ি থামানোর কথা বললেন। একটু সামনেই গাড়ি থামলো।
গাড়ি থেকে নেমে গেলেন ড্রাইভার কামেসমাবাদি। সাদা প্রাইভেটের ড্রাইভারের সঙ্গে কথা শুরু হলো। পরে আমারাও নামলাম এবং কাছে গেলাম। এখানে সত্য হলো এই যে, কাসেমাবাদি যেহেতু তার লেন পাল্টিয়ে ডান দিকে গেছেন এবং অন্য গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে সে কারণে ওই দুর্ঘটনার দায়দায়িত্ব তার। অন্য গাড়ি তার স্বাভাবিক লেন ও গতি ঠিক রেখে চলছিল সে কারণে ওই গাড়ির চালক নির্দোষ।

দুর্ঘটনা পরবর্তী উন্নত সংস্কৃতি

গাড়ি থেকে নেমে দেখলাম আমাদের গাড়িটার সামনের অংশ ভেঙে গেছে। সাদা প্রাইভেটের কাছে গিয়ে দেখলাম ওই গাড়িটার গায়ে দাগ পড়েছে তবে বড় কিছু নয়। শুনলাম দুজনের একেবারেই মৃদু ভাষার আলাপ। আমাদের ড্রাইভারের মধ্যে ছিল এক ধরনের অনুশোচনা আর লজ্জা। অন্য লোকটি মোবাইলে কাকে যেন কি বলছেন। ধাক্কায় সাদা প্রাইভেটের একটি দরজা লক হয়ে গেছে, খোলা যাচ্ছে না। আমাদের ড্রাইভার তার গাড়ি থেকে কাপড় ও স্প্রে নিয়ে সাদা প্রাইভেট কারটিকে মুছে দিলেন। এছাড়া, দু জনে চেষ্টা করে লকও খুললেন। ক্ষতি কি পরিমাণ হলো তার একটা ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করছেন দু জনে। আমরা ধারণা করলাম হয়ত পুলিশ আসবে, নানা আইনি প্রক্রিয়া শেষে যখন ছাড়বে তখন অফিসে দেরি হয়ে যাবে।

কিন্তু না, তারা দু জনেই মিটমাট করলেন এবং সাদা প্রাইভেটের মালিককে তার ক্ষতিপূরণ বাবদ আমাদের ড্রাইভার ব্যাংক কার্ড দিয়ে দিলেন। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ নিয়ে নেবেন সাদা প্রাইভেটের মালিক আর পরে কার্ড ফেরত দেবেন। দু জন একে অপরের ফোন নাম্বার নিলেন। কাসেমবাদি বীমা ব্যবহার করলেন না কারণ আর মাত্র ক’দিন পরেই বীমার নবায়ন। এ সময় ব্যবহার না করলে তিনি বিশেষ কিছু সুবিধা পাবেন। প্রক্রিয়া শেষে আমরা চললাম অফিসের দিকে।
গাড়িতে বসে ভাবলাম অনেক কথা। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে কথা বা দৃশ্যটি মনের পর্দায় বার বার ভেসে উঠতে চাইল তা হচ্ছে- এ দুর্ঘটনাটা যদি আমাদের দেশে ঘটতো তাহলে কি হতে পারত। প্রথমেই গাড়ি থেকে নেমে একে অপরের নাক লক্ষ্য করে ঘুষি, তারপর অসংখ্য অশ্রাব্য গালি, জামা ছেড়াছিড়ি, বহুলোক জড়ো হয়ে যাওয়া এবং আমাদের পাকড়াও হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা। কারণ আমাদের ড্রাইভার কাসেমাবাদির আপাতত দোষের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। কিন্তু এর কোন কিছুই হলো না। একজন লোকও এল না কাছে, কোনো গাড়ি দাঁড়িয়ে কিছু জানতে চাইল না। অশ্রাব্য ভাষায় কোনো গালি বিনিময় হলো না এবং কারো নাক বা মুখ রক্তাক্ত হলো না। আমরাও পাকড়াও হলাম না। দেখলাম ইরানিদের উন্নত কালচার। এমনটা হরহামেশাই ঘটে; আমাদের কালচারটা এমন হলে কি অসুবিধা হতো!

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে আরো কিছু তথ্য

এ কথা ঠিক যে, ইরানে সড়ক দুর্ঘটনার প্রবণতা একদম কম নয়। ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভি এক রিপোর্টে জানাচ্ছে- সারাবিশ্বের শতকরা ৯০ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এবং এ ক্ষেত্রে ইরানের অবস্থান হচ্ছে পঞ্চম। ইরানে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় হৃদরোগে; তারপরই মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। অবশ্য এ নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়ার বাড়াবাড়িও আছে। সড়ক দুর্ঘটনার কথা উঠলেই পশ্চিমা গণমাধ্যম মুখস্ত বলে দেবে- ইরান হচ্ছে পৃথিবীর এক নম্বর দেশ যেখানে সড়ক দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়।
প্রেস টিভির তথ্য মতে- সারাবিশ্বে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে প্রায় ৩,০০০ মানুষ। বার্ষিক পরিসংখ্যানটা আরো ভয়াবহ। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতি বছর মারা যায় ১২ লাখ মানুষ; পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে দুই কোটি থেকে পাঁচ কোটি মানুষ। বিশ্বে মানুষ যেসব কারণে মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনা হচ্ছে তার মধ্যে ৮ম কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনার মতো ভয়ঙ্কর সমস্যা সমাধানে ইরান সরকারের তৎপরতা ও আন্তরিকতা অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার মতো। এই তো চলতি ২০১৪ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সম্মেলনটির মূল উদ্দেশ্য ছিল কিভাবে সড়ক দুর্ঘটনার হার আরো কমিয়ে আনা যায়।

এ সম্পর্কে ইরানের রোড ট্রাফিক পুলিশের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা মোহাম্মাদ মেহমানদার জানিয়েছেন- উচ্চগতিতে গাড়ি চালানো, অনিরাপদ গাড়ি বা যানবাহন ব্যবহার, বিশেষ করে তরুণ/যুবকদের ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা এবং দুর্ঘটনা পরবর্তী সময়ে জরুরি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত উপকরণের অভাবে হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়। জেনারেল মেহমানদার জানান, সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য ৪০ বছরের পুরনো আইন সংস্কার করা হয়েছে এবং শুরু হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।
এছাড়া, ইরানের ৫ম পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রতিবছর শতকরা ১০ ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এরইমধ্যে এ লক্ষ্য অর্জিত হতে শুরু করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক প্রতিনিধি হালা সাক্‌র জানিয়েছেন- এ ক্ষেত্রে ইরানের উন্নতি চোখে পড়ার মতো। তবে এখনো অনেক কাজ বাকি।

মৃত্যুর ভয়াবহ কারণ এই সড়ক দুর্ঘটনার হাত থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষার করার জন্য অন্তত এর মাত্রা কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে জাতিসংঘও বসে নেই। বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনা এবং এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক এ সংস্থা ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়কে ‘ডিকেইড অব অ্যাকশন ফর রোড সেফটি’ বলে ঘোষণা করেছে।

সড়ক র্দুঘটনার ক্ষতি

সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বড় যে ক্ষতি হয় তাহলো হতাহতের ঘটনা। দুর্ঘটনা কবলিত মানুষের অনেকেই মারা যান, অনেকে আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার কারণে হয়তো তার পুরো পরিবারটিই পথে বসে, আবার পঙ্গুত্বের কারণেও এমনটি হয়। বহুক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে- সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার কারণে পরিবারই ভেঙে গেছে। বহু মানুষের জন্য আজীবনের কান্না নেমে এসেছে। নগদ অর্থকড়ি ও সম্পদের ক্ষতি তো আছেই।

এর অভিশাপে জাতীয় অর্থনীতিও কম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এ ধরনের ক্ষতির সুদুর প্রসারী নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতি সারা জীবনেও পোষানো যায় না।
সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে করণীয়

সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে সর্বপ্রথম ট্রাফিক আইন মেনে চলা দরকার। রাস্তায় নামার আগে যানবাহনের ফিটনেসও পরীক্ষা বাঞ্চনীয়। সিট বেল্ট বাধা যদিও খুবই জরুরি একটি বিষয় তারপরও বহু ক্ষেত্রে এ বিষয়ে গাফলতি পরিলক্ষিত হয়। অথচ সিট বেল্ট বাধার কারণে বড় দুর্ঘটনা থেকেও অনেক প্রাণ বেঁচে যেতে পারে।

আজকাল সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইলে কথা বলা। এ অভ্যাসটা এড়াতে পারলেও অনেক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া সম্ভব। শনিবার যে দুর্ঘটনায় আমরা পড়েছিলাম তা তো ছিল ড্রাইভারের গল্পে মশগুল থাকা; ড্রাইভিংয়ে মন না থাকা। মন দিয়ে গাড়ি চালানোর কাজটা করলেও এ বিপদ অনেক ক্ষেত্রেই এড়ানো যায়।

এছাড়া, মাতাল এবং ক্লান্ত বা ঘুম ঘুম অবস্থায় গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকাটা অনেক বেশি জরুরি। সবশেষে বলব, ‘সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি’- এ প্রবাদটা শুধুমাত্র প্রবাদ হিসেবে না নিয়ে জীবনের জন্য গ্রহণ করাই ভালো।

লেখক: সাংবাদিক
রেডিও তেহরান, বাংলা বিভাগ।