দেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নীতিবান, নাগরিক অধিকার সচেতন, দেশে ও জনগণের স্বার্থে আপোষহীন, সত্যবাদী, ন্যায়নিষ্ঠ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী, সৎ ও সাহসী ব্যক্তি সমন্বয়ে সুশীল সমাজ গঠিত হয়ে থাকে। সুশীল সমাজকে বলা হয় জাতির বিবেক। জাতীয় যে কোন দুর্যোগে সুশীল সমাজ সবার আগে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ন রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে উদ্যোগী হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের কারণে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বিকশিত হতে না পারায় সুশীল সমাজ আজ দ্বিধা বিভক্ত।
যে কোনো সুশীল সমাজ ঘরানায় দ্বিধা বিভক্ত হয়ে সরকার বা বিরোধী দলের লেজুড়বৃত্তি করলে তাকে আর সুশীল সমাজ বলা যায় না। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে সুশীল সমাজের নিরপেক্ষ অবস্থান কাম্য। তবে ওই ঘরানার বাইরে আমাদের সুশীল সমাজের মধ্যে মধ্যবর্তী একটি ঘরানার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। যদিও এদের সংখ্যা খুবই কম।
বর্তমানে আমাদের সুশীল সমাজের অধিকাংশ ব্যক্তি নিজ নিরপেক্ষ অবস্থান হারিয়ে সরকারি বা বিরোধী জোটের মতাদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছেন। এ ধরণের সম্পৃক্ততা সুশীল সমাজের সকীয়তা ও স্বাতন্ত্র রক্ষায় চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। মধ্যপন্থা অবলম্বনকারী সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের মোটামুটি নিরপেক্ষ বলা গেলেও বর্তমানে তাদের সংখ্যা নগণ্য এবং সুশীল সমাজে প্রভাব বলতে গেলে তারা অনেকটা কোণঠাসা।
সুশীল সমাজের মধ্যে এমন অনেক আছেন যারা এনজিও’র সাথে সম্পৃক্ত। প্রতিটি এনজিও’র-ই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। আমাদের দেশে বর্তমানে দু’ধরণের এনজিও’র কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়। এর একটি হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী এনজিও আর অপরটি হচ্ছে দেশীয় চিন্তা-চেতনা ও ভাবধারাকে কাজে লাগিয়ে আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত এনজিও। প্রথমোক্ত এনজিওগুলোর কার্যক্রমের শতভাগই বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট। অপরদিকে শেষোক্ত এনজিওগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায় বৈদেশিক সাহায্য ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে অনুদান প্রাপ্ত হয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি দেখা গেল শতভাগ বিদেশী সাহায্যপুষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী একটি স্বনামধন্য এনজিও যেটি দুর্নীতি নির্মূলের নামে সোচ্চার, এ এনজিওটি স্বঅবস্থান হতে বিচ্যুত হয়ে এর কতিপয় শীর্ষ কর্ণধার বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়ে মানববন্ধন, মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের বিশেষ দলের মতাদর্শের আজ্ঞাবহে পরিণত করেছেন। ৫-৭ বছর আগে এ এনজিওটির শীর্ষ কর্ণধার হিসেবে যারা ছিলেন তাদেরকে কেউ কখনও কোন ধরণের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অংশীদার হয়ে মানববন্ধন, মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন করতে দেখেননি। তাছাড়া তাদের সততা, একাগ্রতা, আন্তরিকতা, ন্যায়পরায়নতা, যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিকতা, মানবতা, আদর্শবাদীতা প্রভৃতি ছিল প্রশ্নাতীত।
সুশীল সমাজের মধ্যে এমন অনেকে আছেন যারা পেশাগতভাবে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী। সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা বলে তাদের অনেকের দেশের দুঃস্থ, নিপীড়িত, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অপপ্রয়াস রয়েছে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রম যতটুকু না জনকল্যাণমুখী তার চেয়ে অনেক বেশী প্রচারমুখী। সামাজিক দায়বদ্ধতার নামে সরকার থেকে তারা যে হারে কর রেয়াত নেন তাদেরকে এ কর রেয়াত না দিয়ে সরকার যদি নিজস্ব উদ্যোগে রেয়াত সংশ্লিষ্ট অর্থ ব্যয় করতো তাহলে এর অবদান আরও বেশি অর্থবহ হতো। এ সব ব্যবসায়ীদের অনেকে নিজ নামে অথবা নিজ পিতামাতা অথবা নিজ শ্বশুর-শাশুড়ী প্রভৃতির নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে নিজেকে দানশীল ও সমাজ হিতৈষী বলে প্রতিষ্ঠার অপপ্রয়াস নিলেও কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা ব্যয় ও উন্নয়ন ব্যয সরকারি ও বিদেশী সাহায্য নির্ভর।
সুশীল সমাজের মধ্যে এমন অনেকে আছেন যারা আইন পেশার সঙ্গে জড়িত এবং দেশের শীর্ষ আইনজীবী হিসেবে স্বীকৃত। এদের অনেকে শিক্ষা ও সেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিন্তু স্বপেশার প্রতি অনুগত থেকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তাদের যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার নৈতিক দায়িত্ব ছিল সে দায়িত্ব থেকে তারা যে আজ অনেক দূরে তা বিপুল অংকের অর্থের বিনিময়ে সমাজের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্তদের আইনী সহায়তা দেয়ার চিত্র থেকেই ফুটে উঠে।
অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অধ্যাপনা ও গবেষণা সংশ্লিষ্ট কাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজে সম্পৃক্ত হতে দেখা যেতো না। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এক বিরাট অংশ ডান ও বাম ঘরানার সুশীল সমাজ হিসেবে সরকারী ও বিরোধী দলের ছত্রছায়ায় থেকে নিজের অধ্যাপনা পেশাকে গৌণ বিবেচনায় বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কাজ নিয়ে অধিক ব্যস্ত। বর্তমানে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার মান নিম্নমুখী। এ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যে মানের ছাত্র-ছাত্রীর আগমন ঘটে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় নিজ মেধা বিকাশে মনোনিবেশ না করে একমাত্র ভাল ফলাফলের আশায় শিক্ষকদের অনুগামী হওয়ার ব্যাপারে অধিক সচেষ্ট থাকে। এতে করে লেখাপড়া না করেও তারা ভাল ফলাফল ঠিকই পায় কিন্তু কর্মক্ষেত্রে আস্লে দেখা যায় এরা শুধু নামেই ডিগ্রিধারী মেধার মান ডিগ্রির সঙ্গে কোনভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
চিকিৎসকরা মানবসেবার মহান ব্রত নিয়ে চিকিৎসা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকদের বেশ কয়েকজন বছরে একবার নিজ এলাকায় চিকিৎসা শিবির করে অবহেলিত জনগোষ্ঠির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থাকেন। তবে, এটি বেশি পরিলক্ষিত হয় চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে। এ সব চিকিৎসকের কতিপয় নিয়মিত বিভিন্ন সমাজ গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে সুশীল সমাজের অংশ হিসেবে সুনামের ভাগিদার হলেও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ে সমগ্র চিকিৎসক সমাজকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।
পদস্থ কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা নিয়মিত টকশো, গোলটেবিল বৈঠক, মতবিনিময় সভা প্রভৃতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে যদিও নিজেদের সুশীল সমাজের সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠায় একনিষ্ঠ কিন্তু এদের দু’একজনের অতীত খুঁজতে গিয়ে জানা যায় নানা আর্থিক অনিয়মে জড়িত হওয়াসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের বন উজাড়ের চাঞ্চল্যকর কাহিনী।
সরকারের পদস্থ সচিব পদমর্যাদার যারা সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে স্বঅবস্থান গড়ে তুলেছেন এদের দু’একজনের চাকরিকালীন বিভিন্ন অনিয়ম বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর অনেককেই বলতে শুনা গেছে সরকারি পদে বহাল থাকাকালীন দেশকে কিছু দেয়ার পরিবর্তে তারা শুধু দুর্নীতিলব্ধ সম্পদ আহরণে মত্ত ছিলেন। আর তাই তাদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি বিবেচনা সমাজকে প্রতারণা করার সামিল।
প্রকৌশলী, স্থপতি ও কৃষিবিদদের বরেণ্য কয়েকজন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে একনামে সুপরিচিত। সমাজের সব ধরণের গণসংযোগ কার্যক্রমে এদের সফল পদচারণা। কিন্তু যখন শোনা যায় এদের কেউ কেউ চাকরিরত অবস্থায় নির্ধারিত অঙ্কের সম্মানি দ্বারা সন্তুষ্টি ব্যতিরেকে ঠিকাদারের বিলে স্বাক্ষর করতেন না তখন তাদের অতীত আচরণের কারণে তারা লজ্জিত না হলেও তাদের সহকর্মীদের লজ্জায় ফেলে দেয়।
স্বচ্ছ ভাবমর্যাদার কর্মকর্তা বিরল এমন একটি বাহিনীর শীর্ষ পদধারী যদি অবসর পরবর্তী সুশীল সমাজের একজন হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভাব দেখায় তবে তা সাধারণ্যে কতটুকু গ্রহণীয় সে বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় নিজ নিমজ্জিত ভাবমূর্তির পুনরুদ্ধারে মোটেও সহায়ক নয়।
বর্তমানে বিভিন্ন পেশাধারী সুশীল সমাজের মধ্যে এমন অনেক আছেন যারা নিজ গ্লানি থেকে অবমুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় প্রথমত সুশীল সমাজের ব্যক্তিত্ব এবং অতঃপর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের আবরণে ভূষিত হওয়াকে কৌশল হিসেবে বেছে নিয়ে অনেকটা সফলতাও পেয়েছেন।
আমাদের সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, লেখক ও কলামিস্টদের অনেকে সুশীল সমাজের খাতায় নাম লিখিয়ে দিব্যি নিজ ব্যক্তিত্ব, বিবেক ও মননশীলতাকে জলাঞ্জলি দিয়ে দেশের বৃহৎ দু’টি রাজনৈতিক জোটের যে কোনো একটির প্রতি অনুগত এমন অবস্থানে তাদের নিয়ে এসেছেন। মূলতঃ দেশ ও সমাজ গঠনে সুশীল সমাজের যে ভূমিকা এরা কেউ তার ধারে-কাছেও নেই। এদের একপেশে মনোভাবের কারণে জাতি আজ সংবাদ উপস্থাপন, বুদ্ধিভিত্তিক সাহিত্য চর্চা, লেখনী ও কলামে বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে পক্ষপাতদুষ্টতার প্রভাব লক্ষ্যণীয়।
আমাদের সমাজে বর্তমানে রাজনীতি প্রতিটি শ্রেণী ও পেশার মধ্যে এমনভাবে জেকে বসেছে যে দলীয় রাজনীতির প্রতি অনুগত না হলে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা, সততা সব কিছুই অর্থহীন। বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মধ্যে রাজনীতির এ করালগ্রাসী থাবার কারণে এমন অনেক আছেন ন্যায্য প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হবেন শুধুমাত্র এ কারণে বাম বা ডান ঘরানার পেশাজীবী হিসেবে সুশীল সমাজের মধ্যে আত্মপ্রবেশ ঘটিয়েছেন। এভাবে বিভিন্ন পেশাজীবীরা দু’টি বিশেষ ঘরানার সুশীল সমাজ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে পেশাজীবীরা একদিকে যেমন নিজেদের পেশাদারিত্ব হারিয়েছেন অন্যদিকে নিজ প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করে এর ঐতিহ্য ও সুনামের প্রতি কালিমা লেপন করেছেন।
আগামী কয়েক বছর পর আমরা যখন আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে যাচ্ছি এর প্রাক্কালে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আমাদের সুশীল সমাজ কি দেশের প্রয়োজনে নিজ স্বার্থের উর্ধে উঠে নিরপেক্ষ অবস্থান অথবা মধ্যপন্থা ধরে রাখতে পেরেছেন?
আমাদের প্রধানমন্ত্রী টিভি টকশোসহ বিভিন্ন মতবিনিময় সভায় সুশীল সমাজের যে সব সদস্য সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান তাদেরকে সুশীল বাবু নামে অভিহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে এ কথাটি শোনার পর একজন রসিক রাজনীতি সচেতন ব্যক্তি চায়ের দোকানে আড্ডায় বললেন সরকারের পক্ষাবলম্বনকারী সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের বিরোধীদলীয় নেত্রী তাহলে কি বলে সম্বোধন করবেন।
অতি সম্প্রতি ডান ও বাম ঘরানার সুশীল সমাজ নামধারী কতিপয় ব্যক্তি আমাদের বড় দু’টি রাজনৈতিক দলের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরে নিজেদের রাজনৈতিক অঙ্গনে সরব উপস্থিতি ঘটানোর ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছিলেন। বছরব্যাপী তারা বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের বর্তমান বিবাদমান পরিস্থিতিতে তারাই একমাত্র বিকল্প হিসেবে বৃহৎ দু’টি রাজনৈতিক দলের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন এমন অভিনব চিন্তা-চেতনা নিয়ে জনগণের সামনে উপস্থিত হলেও নিজ উদ্যোগে যে সফলতা পেয়েছেন তা নয়।
সুশীল সমাজের একজন প্রতিনিধি সরকারের বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মসূচির স্বপক্ষে কথা বলার পর তিনি কি নিজেকে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ভাবতে পারেন এটি আজ একটি প্রশ্ন। অনুরূপ বক্তব্য দেশের প্রধান বিরোধীদলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
পাশের রাষ্ট্র ভারতে সুশীল সমাজ গণতন্ত্র বিকাশ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছে। সে কারণেই ভারতে আজ গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। আমরা আমাদের দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমৃদ্ধির বিষয় বিবেচনায় নিলে আমাদেরকে গণতন্ত্রের চর্চা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আর সে অগ্রণী ভূমিকা তখনই সম্ভব যখন আমাদের সুশীল সমাজ স্ব অবস্থানে অনড়।।
লেখক: সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]

[b]ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//ইএইচ[/b]