পৃথিবীর মূলধারার গণতান্ত্রিক দেশসমূহের মতই বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত। যে কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রাণ তিন ধারায় প্রবাহিত হয়।

এক্সিকিউটিভ অরগ্যান বা নির্বাহী বিভাগ, জুডিশিয়াল অরগ্যান বা বিচার বিভাগ এবং লেজিসলেচার বা আইন বিভাগ। বিচার বিভাগের কাজ বিচার করা, আইন বিভাগের কাজ নাগরিকের নিরাপত্তা এবং সুখশান্তির জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা।

নির্বাহী বিভাগকে আবার শাসন বিভাগ বলা হয়। এই বিভাগের কাজ শাসন কাজ নির্বাহ করা।

রাষ্ট্রের সবচেয়ে জটিল এবং কর্মময় অরগ্যান নির্বাহী বিভাগ। নির্বাহী বিভাগে থাকে নানা কাজের জন্য বিশাল কর্মী বাহিনী। এই কর্মী বাহিনী আবার তাদের কাজের ধরণ অনুযায়ী নানা স্তরে বিভাজিত থাকে।

আধুনিক আমলাতন্ত্রের জনক ম্যাক্স ওয়েবার তার ‘Economy and Society’,(1922) গ্রন্থে আমলাতন্ত্রের এই কাঠামো বর্ণনা করেছেন।

তার মতে, আমলাতন্ত্র “Hierarchically Organized”। সহজ কথায় বলতে গেলে, নির্বাহী বিভাগের এই কাঠামোর সবচেয়ে উপরে থাকে পলিসিমেকার বা নীতি নির্ধারক যারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

তার অধীনে ডিসিশন মেকার বা আমলা। আমলাদের অধীনে থাকে খাতওয়ারী বিশেষজ্ঞ। ম্যাক্স ওয়েবার এর কাঠামোতে প্রত্যেকের কাজ নির্ধারিত ও আলাদা।

বাংলাদেশের প্রশাসন বা আমলাতন্ত্র সম্পর্কে যা বলা হয়, তারমধ্যে একটি বড় অভিযোগ হচ্ছে এটি কলোনিয়াল, উপনিবেশ আমলে এর উৎপত্তি।

স্বাধীন দেশে উপনিবেশ সম্পর্কিত সবকিছু গালির খাতায় চলে যায়। ফলে প্রশাসন সম্পর্কে সামান্য পড়ালেখা না করেও, এদেশে প্রশাসন বিরোধী কথা বলে বাহবা পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবতা এই যে, যে কর্নওয়ালিস কোড থেকে প্রশাসন ব্যবস্থার উৎপত্তি সেই একই কোড থেকে এ দেশের সরকার, বিচার ও পুলিশ ব্যবস্থার উৎপত্তি।

শুধু তাই নয় আধুনিক ব্রিটেনের সিভিল সার্ভিসের উৎপত্তি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে। তারাই সর্বপ্রথম ১৮০৬ খ্রিঃ এ প্রশাসকদের ট্রেনিং ও পরীক্ষার জন্য লন্ডনের নিকটে একটি কলেজ স্থাপন করে ব্রিটেনে চীনা টাইপের সিভিল সার্ভিসের সুচনা করে।( Bodde, Derke; China A Teaching Workout)

কাজেই বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা দীর্ঘ ঐতিহ্যে গড়ে উঠা ব্যবস্থা। অনেকেই একে ‘কর্নওয়ালিস এডমিনিস্ট্রেটিভ সিস্টেম’বলে অভিহিত করে থাকেন। কেবল বাংলাদেশ নয়, ভারত ও পাকিস্তানও এই ব্যবস্থার উত্তরাধিকারী। তাই সামগ্রিক আলোচনার সুবিধার্থে আমি এই টার্ম ব্যবহার করে আলোচনা করতে চাই।

‘কর্নওয়ালিস এডমিনিস্ট্রেটিভ সিস্টেম’এর উত্তরাধিকারী তিনটি দেশই পুরাতন সিস্টেমকে বাতিল করে নয়, বরং পরিবর্তন, পরিমার্জন, সুসংহত করে কার্যকরী রেখেছে। তাই বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে, বুঝতে এবং তা শক্তিশালিকরণের জন্য ভারত এবং পাকিস্তানের প্রশাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা অত্যন্ত জরুরী।

ভারতের বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থাঃ  

ভারতের প্রশাসনিক সার্ভিস ‘Indian Administrative Service (IAS)’নামে পরিচিত। ভারতে মাত্র তিনটি সার্ভিস ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিস’হিসেবে সাংবিধানিকভাবে গঠিত।

ইন্ডিয়ান এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (আই এ এস), ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস(আই পি এস), ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস (আই এফ এস)। বাকি সব সার্ভিস যেমনঃ কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রকৌশল, ট্যাক্স সহ সকল সার্ভিস কেবল স্টেট সিভিল সার্ভিসের অংশ।

এই সকল ক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্য তার প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেয়। তারা কেবল রাজ্য পর্যায়ে কাজ করে। অন্যদিকে ভারতে সুপরিওর সার্ভিস দুইটি। ইন্ডিয়ান এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (আই এ এস) ও ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস (আই এফ এস)।

“ No other service is superior than the Indian Administrative Service and Indian Foreign Service”তাই কেউ এই দুই সার্ভিসের সদস্য হলে পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে অন্য কোন সার্ভিসে যেতে পারে না।

আইন করেই ভারতে প্রশাসন সার্ভিসের শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা হয়েছে। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ভারতের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী পুলিশের আইজি, যিনি একটি বাহিনীর প্রধান এবং একই সাথে একটি সর্ব ভারতীয় সার্ভিসের প্রধান, তার পদমর্যাদা ইন্ডিয়ান এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (আই এ এস) এর যুগ্ম সচিবের সমমানের।

তাই কেন্দ্রীয় সরকারের সকল পদ, সকল সচিব, কমিশনের চেয়ারম্যান সহ নানা পদ কেবল মাত্র এই সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত। এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের পিএস কেবলমাত্র এই সার্ভিস থেকে করা হয়।

মাঠ প্রশাসনেও ভারত তার ‘উপনিবেশিক’ঐতিহ্য আরও সুসংহত করেছে। অর্থাৎ তারা কর্নওয়ালিস এডমিনিস্ট্রেতিভ সিস্টেম কে আরও শক্তিশালী করে টিকিয়ে রেখেছে। ডিসট্রিক্ট মাজিস্ট্রেট বা জেলা শাসক, আজো ভারতের অন্যতম ক্ষমতাশালী একটি পদ।

যদিও ভারতে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে। মোদীর নির্বাচনী সভা বন্ধ করে দেওয়া ডিসট্রিক্ট মাজিস্ট্রেট এখনও সেই জেলাতে বহাল আছে। কয়েকদিন আগে এমন রিপোর্ট আমরা পত্রিকাতে দেখেছি।

জেলা শাসকদের রিপোর্টে মন্ত্রীদের মন্ত্রিত্ব পর্যন্ত চলে যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তারা জেলাতে জেলা শাসক হিসেবে শাসনের কাজ করে থাকেন। বাংলাদেশেও জেলা প্রশাসকগণ কেন্দ্রীয় বা জাতীয় সরকারের এক মাত্র প্রতিনিধি, অন্যরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের প্রতিনিধি। যদিও বাংলাদেশে জেলা শাসকের পরিবর্তে জেলা প্রশাসক শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

পাকিস্তানের বর্তমান প্রশাসন ব্যবস্থাঃ

ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের ঐতিহ্য নিয়ে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে নামকরণ করে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান( সি এস পি)। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, বর্তমানে যারা প্রশাসনিক কাজ করেন তারাই কেবল সিভিল সার্ভিসের সদস্য ছিল।

অন্যরা, যেমনঃ কৃষি, পুলিশ, ট্যাক্স, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য তারা নিজ নিজ সার্ভিসের সদস্য ছিলেন। কেবল নিজস্ব পেশাগত কাজ করতেন। প্রশাসনিক বা সাচিবিক কাজ সি এস পি সদস্যরা করতেন।

পাকিস্তানে দুর্বল গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার কারণে এবং শাসন ক্ষমতা বার বার সামরিক শক্তি কর্তৃক ব্যহত হওয়ার কারণে পাকিস্তানের বে-সামরিক প্রশাসন দুর্বল হতে থাকে। শুরুতে সি এস পি অফিসারগণ প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেন। কিন্তু সামরিক অফিসারদের বিরোধিতার কারণে ১৯৫৮ সালে সামরিক সরকার তা বন্ধ করে দেয়।

নানা সময়ে পাকিস্তানের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন বিরোধী সামরিক সরকার প্রশাসনকে কেবলি দুর্বল থেকে দুর্বলোতর করেছে।

পাকিস্তানের প্রশাসন ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক মারা হয় ২০০১ সালে সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফের আমলে। এই সময় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা মাজিস্ট্রেট পদ তুলে দেওয়া হয়।

ডিসি অফিস তুলে দিয়ে জেলাতে ডিসট্রিক্ট কো-অরডিনেসন অফিসার( ডি সি ও) পদ তৈরি করা হয়। যার ফল পাকিস্তানবাসী হাতে নাতে পেয়েছে। সন্ত্রাসবাদের উত্থান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি পাকিস্তানের অস্তিত্ব নিয়ে টান দিয়েছে।

বিশ্ব মানচিত্রে পাকিস্তান দেশ হিসেবে টিকে থাকবে কি না সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। বর্তমানের নির্বাচিত শাসকরা সেটা ভাল মতই বুঝতে পেরেছেন।

ডেইলি ডনের সংবাদ মতে, পাকিস্তানের চারটি প্রদেশের তিনটি ইতোমধ্যেই বিভাগীয় কমিশনার পদ ফিরিয়ে এনেছে। ডিসট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেসি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি প্রস্তাব করেছে। যদিও তা বাস্তবায়নের জন্য নানা মহলের বাধা রয়েছে।( সূত্রঃ ডেইলি ডন, ৩১ মে, ২০০৯ খ্রিঃ)

বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন ব্যবস্থাঃ

স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যে নবজাগরণের সৃষ্টি হয়েছিল, তার ঢেউ দেশের প্রশাসনেও লেগেছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের কলঙ্কজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে সে নবজাগরণের অপমৃত্যু হয়।

বাংলাদেশের প্রশাসনের জন্য বড় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় ১৯৭৯ খ্রিঃ এ সামরিক সরকারের আমলে। ১৯৭৭ খ্রিঃ এ রশিদ কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা সার্ভিস ব্যবস্থা বাতিল করে ১৪ টি ক্যাডারের অধীনে ২৮ টি সাব- ক্যাডার সৃষ্টি করা হয়।

১৯৭৯ খ্রিঃ এ ‘সিনিয়র পলিসি পুল’সৃষ্টি করা হয়। যাতে সামরিক কর্মকর্তাদেরও পুলে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রাখা হয়। ১৯৭৯ খ্রিঃ এ পঠিত একটি প্রবন্ধে তৎকালীন জাতীয় সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন একে বর্ণনা করেছিলেন, ‘বেসামরিক প্রশাসনকে সামরিকীকরণের প্রকৃষ্ট পন্থা রুপে’।( অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, ১৯৮০)।

পরবর্তীতে ১৯৮৯ খ্রিঃ এ পুল প্রথা বাতিল করা হয়। সাব-ক্যাডার তুলে দিয়ে ২৮ টি ক্যাডার সৃষ্টি করা হয়। পুল প্রথা বাতিল করা হলেও, ভিন্ন ভিন্ন সার্ভিসকে সিভিল সার্ভিস নাম দিয়ে এক ছাতার তলে এনে মূলত বাংলাদেশের প্রশাসনকে দুর্বল করা হয়েছে।

বিভিন্ন মহল বিভিন্ন সময়ে তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য, গণতন্ত্রকে দুর্বল করার জন্য প্রশাসনকে দুর্বল করেছে।

অনেকসময় এডিবি বা বিশ্ব ব্যাংক এর সুপারিশে নানা সংস্কার গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু কোন ক্ষেত্রেই এদেশের প্রশাসনের অন্তর্নিহিত ভিত্তির উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়নি, বিবেচনা করা হয়নি। যেমনটি করা হয়েছে ভারতের প্রশাসনের ক্ষেত্রে।

উত্তরণের উপায়ঃ

বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। আমাদের সৌভাগ্য যে একই ঐতিহ্যের আরও দুইটি উদাহরণ আমাদের সামনে রয়েছে। ভারত এবং পাকিস্তানের প্রশাসন ব্যবস্থা।

সুতরাং বাংলাদেশে শক্তিশালী প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আমরা ভারতের পথে হাঁটব নাকি পাকিস্তানের পথে। সামান্য চিন্তাশীল মানুষ মাত্রই উপর্যুক্ত আলোচনার পর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করবেন না যে, ভারতের পথে হাঁটা আমাদের জন্য কতটা জরুরি।

২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারকে ইন্ডিয়ান এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের আদলে গড়ে তুলতে হবে। সে জন্য---

ক) জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের আদলে বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস কমিশন গঠন করে আলাদা সার্ভিস সৃষ্টি করতে হবে, আলাদা নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

খ) বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এর জন্য আলাদা বেতন কাঠামো তৈরি করতে হবে।

গ) ইন্ডিয়ান এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের মতো, সহকারী কমিশনার/ সহকারী সেক্রেটারি থেকে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি পদ পর্যন্ত পদগুলো কেবলমাত্র বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এর নিজস্ব পদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

ঘ) সদ্য যোগদানকৃত অফিসারদের এক্সটেনসিভ ট্রেনিং এর জন্য ঢাকার নিকটে আন্তর্জাতিক মানের সুবিশাল ট্রেনিং একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক।

সবল প্রশাসন ব্যবস্থা সবল গণতন্ত্র এর ভিত্তি স্থাপন করে, সবল গণতন্ত্র সবল প্রশাসন ব্যবস্থা সৃষ্টি করে।

বর্তমান বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দেশে সবল প্রশাসন ব্যবস্থার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। কেবল দরকার আমাদের জেগে উঠা।

লেখকঃ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সদস্য।

এসএইচ