তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সভ্যতার নব নব আবিষ্কারের ফলে মানুষ এখন আাধুনিকতার চরম উৎকর্ষ সাধনে পাগলপারা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের চিন্তা চেতনা ও সৃষ্টিশীলতা অনেক এগিয়ে। সব দিকেই পৃথিবীর মানব সমাজ অগের চেয়ে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে জীবন যাপন করছে। বৃদ্ধি পেয়েছে শ্রেণীবেধে মানুষের মেধা, মনন ও সৃষ্টি কর্ম।

কিন্তু একটি বিষয় অত্যন্ত দূবলচিত্তে এগোচ্ছে। আর তা হলো মানুষের মৌলিক মানবীয় গুণাবলী, যার প্রভাব প্রতিপত্তির বাস্তব রুপায়ন দেখা যায় নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে। নিরাপত্তা আমাদের জীবনের সাথে, সমাজের প্রত্যেক মানুষের জীবনের সাথে রয়েছে এর প্রয়োগ ও বাস্তবতা। সৃষ্টিগতভাবে সবাই চায় শান্তি ও নিরাপত্তা, আর শান্তি নিরাপত্তার প্রভাব আসে মানুষের বিবেকবোধ শক্তি হতে।

যার বোধজ্ঞান নেই, তার কাছে শান্তি নিরাপত্তাও থাকতে পারে না। শুধু মানুষ নয়। সাধারণত এটি অবলা পশুও কিন্তু নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন। নিজেকে বাঁচাতে বা নিরাপত্তায় থাকার জন্য পশু মানুষকে আক্রমন করে। বস্তুতপক্ষে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে নিরাপত্তা মানবজীবনের এক সার্বজনীন চাওয়া পাওয়া। ছোট, বড়, সাদা-কালো, উচু নীচু সকল মানুষের কাছে স্মিয়কর এই শব্দটি “নিরাপত্তা” অত্যন্ত অবিসংবাদিত একটি নাম।

নিরাপত্তা শব্দটি সময়ের ব্যবধানে দিনবদলের পালায় আপেক্ষিক হয়ে দাড়িয়েছে। আপনি যেখানে নিরাপত্তা মনে করছেন। সেখানে যে নিরাপত্তার বিপরীত কঠিন বিপদ রয়েছে তার অবস্থা ও বাস্তবতা অনুধাবন করা অসম্ভব। যেখানে নিরাপত্তা মনে করে আশ্রয় নেয়া হচ্ছে, সেটাও আপনার অসীম বিপদের হাতছানি তা বুঝার উপায় নেই। বিশেষ করে দেশের অসামাজিক মানুষের কথা বলেন, বা প্রশাসনিকভাবে নিয়োজিত বিভিন্ন নিরাপত্তায় নিয়োগকৃত রক্ষী বলেন, নিরাপত্তা আসলে এখন কোথায় সে প্রশ্ন সবার।

সম্প্রতিকালে এদেশে প্রমাণিত হয়েছে স্বয়ং মায়ের কোলও একজন শিশুর জন্য নিরাপদ নয়। যাকে আপনি বিশ্বাস করে আশ্রয় হিসেবে চিন্তা করেছেন, সেই-ই আপনার ঘাতক, তা কি করে বুঝবেন? একজন ছাত্র বা ছাত্রী তার নিরাপদ আশ্রয় স্থল হলো বাবা মা অথবা পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। কিন্তু শিক্ষকই একজন ছাত্রছাত্রীর জন্য যে কত ভআবহরুপ নিতে পারে তা পত্রিকার পাতা উল্টালেই পাওয়া যায়। শিক্ষক কতৃক ছাত্রী ধর্ষনের মত জঘন্য অপরাধ এদেশেই সংঘটিত হচ্ছে। শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীর বিপদজনক অবস্থায় আত্মহত্যার দূর্বিসহ ঘটনা এদেশে অহরহ ঘটছে। এভাবে সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা-সাংস্কৃতিক- প্রত্যেক অঙ্গনে নিরাপত্তার অভাব সাংঘাতিকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

একজন মুসলমানের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জায়গা হলো পবিত্র মসজিদ। একটি মসজিদের মোয়াজ্জিন মো বেলাল, যিনি ৩৮ বছর যাবৎ এ মসজিদে আজান দেয়ার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। রাতের আধারে এই বয়স্ক মুয়াজ্জিন বেলালকে কে বা কারা হত্যা করেছে তার কোন তথ্য উপাত্ত এদেশের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশের কোন বিভাগই কিন্তু বলতে পারছেনা অথচ আজ সকালে পত্রিকায় আসছে যে তার পরিচিত জনৈক ব্যক্তি আত্ম-কলহ বা লেনদেনের কারণে হত্যা করেছে।

একজন মোয়াজ্জিন যিনি নামাজের জন্য মানুষকে আহবান করেন প্রতিদিন পাঁচবার। আর তিনি ১ বছর ২ বছর নয় ৩৮ টি বছর অবধি এই কল্যাণময় গুরুত্বপূর্ণ পবিত্র কাজ করছেন । অথচ কি এমন অন্যায় তার ছিল সেই পবিত্রতম মসজিদেই তার জীবন দিতে হলো? পত্রিকায় বলা হচ্ছে পুলিশ তার খোঁজ পেয়েছে, কে তার হত্যাকারী, কিন্তু কৌশলগত করণে তার নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। একটি মুসলিম দেশের মসজিদের মায়াজ্জিনের নিজ সমজিদের নিরাপত্তার অভাব! হায় মুসলমান, হায় নিরাপত্তা।

সাম্প্রতিকালের আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটঁনা নাট্যকর্মী তনু হত্যা। ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মেধাবী ছাত্রী এবং নাট্যকমী তনু। হালজামানার বরবর জাহেলিয়াতের শিকার হয়ে কঠিন বর্বরতা শিকার জীবন দিয়েছে সম্ভবনাময়ী এ ছাত্রী। অত্যান্ত বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত অবস্থায় সেনা নিরাপত্তা... মধ্যে কালভাটের নীচে পড়ে থাকতে দেখে তার বাবা। তার শারীরিক যে আলামত প্রত্যক্ষ দর্শিরা অবলোকন করেছেন তাদের মতে সে ধর্ষিত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে। এমন জায়গায় সেনা সদস্য ছাড়া অন্য সাধারণের চলা সম্ভব নয।

কুমিল্লা সেনা নিরাপত্তা বেষ্টিত সে জায়গায় সেনা সদস্য ছাড়া অন্য সাধারনের চলা সম্ভব না। যা হোক দেশের এঅবস্থার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তনুকে অসংখ্য প্রতিবেদন ছাপা ও হয়েছে । সর্বশেষ দেখা যাচ্ছে যে তার ময়না তদন্তে সুরতহাল কোন রিপোর্ট আজঅবধি প্রশাসন প্রকাশ করতে পারেনি। কবর থেকে লাশ উত্তোলন ও করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে মুখ খুলতে একদম নারাজ।

তনু হত্যার সাথে কারা জড়িত তার বাস্তব তথ্য ১ম থেকে সবাই ওয়কিব হাল। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধবে কে? এ ধ্রবসত্য তুলে ধরবে কে? দিন দুপুরে সেনা নিরাপত্তা বেষ্টনিতে এটি অস্টাদশি বর্বরতার শিকার হয়, অথচ, কোন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়না । এ ,,,,,রাখবেন কোয়ায়। আমায় কোন দেশে কার কাছে নিরাপত্তা চাইবে। এভাবে হাজারো তনু নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে একদম নিসতব্ধ কেন জানার আগ্রহ সবার।

দেশের সর্বচ্চ নিরাপত্তা রক্ষকারীদের পারিপার্শিক অবস্থা যদি এমন হয় তাহলে সাধারন মানুষ যাবে কোথয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তাদাতাদের কাছে যদি একজন বনি আদমের আস্থা এমন জঘন্য রুপ হয় তাহলে নিরাপত্তা কোন মানুষের সাহায্য সহযোগীতা কামনা করা কখনো আশা করা যাবেনা।

এ দেশে নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আর এক প্রশাসন নিয়েজিত আছে তারা পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ প্রশাসন নিয়েও অনেক কথা রয়েছে। উতোমধ্যে পত্রিকায় পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা ও রক্ষক যখন ভক্ষক, এ ধরনের শিরোনামে ,,,রিপোর্ট পত্রিকায় পাওয়া খবর পাতায় ঝাপা হয়েছে। আসলে পুলিশ প্রশাসনের এরকম বহু বদনাম রয়েছে। যাদের দ্বারা এহেন কাজ নেই যা সম্পাদন তারা করেনি। মানুষ পুলিশকেই প্রশাসনিক ভাবে নিরাপত্তার ব্যাপারে বিশেষ ভাবে আশাবাদী হয়। কিন্তু পুলিশ জনগনের সে আশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

গত ১১/৪/১৬ পত্রিকান্তরে জানা গেছে বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসন ও নিরাপত্তা বিষয়কে সামনে নিূেয় মার্কিন এক দার্শনী প্রকাশ করেছে সেখানে বংলাদেশের পুলিশ প্রসাষন নিয়ে অনেক আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে “নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পুলিশ” এ শিরোনামে বলা হয়েছে” বাংলাদেশের মানবধিকারে অন্য সমস্যা গুলো হলো “নিরাপত্তার রক্ষকারী বাহিনির নির্যাতনও আইন লঙঘন খেয়াল খুশীমতো গ্রেফতার আটক, বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার দূর্বল বিচারের আগেই দীর্ঘসময় আটক রাখা । নাগরীকদের ব্যত্তিগত যোপনীয় অধিকার লংঘন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও অন্তদলীয় সহিংসতা গুরু সমস্যা হিসেবে রয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে নিরাপত্তারক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতন ও হত্যাকান্ডের বিষয়ে তদন্ত ও মামলার ক্ষেত্রে সরকার সীমিত পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা রক্ষাকারী ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রন ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েচে নিরাপত্তা রক্ষাকারি বাহিনির লোকের হাতে মোট কত সংখ্যক নিহত হয়েছেন এর কোনো পরিসংংখ্যন সরকার প্রকাশ করেনি। এমনকি এসব মামলা তদন্তে সমন্বিত কোনো উদ্যোগ ও নেয়নি। যদিও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এর আগে প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন তারা নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সব বিচার বহিভর্’ত হত্যাকান্ডের ক্ষেত্রে শুন্য সহনশীলতা প্রদর্শন করবেন এবং পূর্নাঙ্গ তদন্ত করবেন। সামান্য দু একটি বিষয়ে সরকার তাদের ব্যাপারে বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছ তাদের শুধূু প্রশাসনিক শাস্তি দেয়া হয়েছে। নিরাপত্তার রক্ষাকারী কিন্তু সদস্য কাজ করেছেন দায় মুক্তিতে।

মার্কিন মানবধিকার সংস্থার পক্ষতেকে বাংলাদেশের অর্থ সামাজিক আস্থা মানুষের নিরাপত্তার এবং সামগ্রিক ভাবে আরো মন্তব্য করেছেন।যা বর্তমান সমাজের জন্য জাতির জন্য যথেষ্ট ফলদায়ক ও নিরাপত্তার ব্যাপারে আরো হুশিয়ারী উচ্চরণ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। পুলিশ প্রসাশন আমাদের নিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকায় থাকার কথা থাকলেও হিতে বিপরীত এদেশে । পুলিশের কাছে গিয়ে নিরাপত্তার রিপরীত আরো বিভিন্ন ধরনের হ্যারেজমেন্টের শিকার হতে হচ্ছে এখন।

সমাজের এমন কোনো কাজ নেই যা তাদের সম্পূক্ততা পাওয়া যায়না। ধর্ষন, অপহরন সহ নানা অনৈতিক কাজের সাথে সমৃক্ততা পাওয়া যায় পুলিশ প্রশাসনের । এ ব্যাপারে পত্রিকার পাতা উল্টালেই প্রতনিয়ত অত্যাশিত অনেক নিরাপত্তাহীনতা ও পুলিশেরভ’মিকার নজির মেলে । তাহলে তাদের প্রশাসনে থেকে লাভকি। পুিলশ হলো রক্ষক কিন্তু কার্যক্ষেত্রে ভক্ষকের ভ’মিকায় পুলিশ প্রাশসন। এব্যাপার তাদের আরো সচেতন ও জনগনমুখি হওয়া দরকার।

সাধারন মানুষ কথা বিশেষ করে নারীর কথায় আসা যাক যাদের বাড়ীতে কর্মস্থলে পথে ঘাটে বাসে-ট্রেনে চলতে ফিরতে কোথায় ও কোন নিরাপত্তার লেশমাত্র নেই। একাডেমিক পরিবেশে বা ক্যাম্পাসে ও যোন নিরাপত্তার ভীষন অভাব। গতকাল এক জাতীয় দৈনিক মধ্য প্রাচ্যে নারী শ্রমিক শিরোনামে সম্পদকীয় লিখেছেন উল্লেখ করা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বহু সখ্যাক নারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নারী শ্রমিক হিসেবে পাড়ি জমায় তার মধ্যে কৃড়ি গ্রামের এক নারীর জীবনের কথা বলেছেন যিনি গৃহকর্তার ধর্ষনের শিকার হয়ে অন্তসত্তা হওয়ার পর দেশে দিরে এসেছেন।

সেই নারী ও তার পরিবারের আসহায়েত্বের বিষয় অনুমান করা যায় নিরাপত্তার কোথায় আছে। অনেক কাল ধরে বিদেশ গিয়েছিল কিছু অর্থের জন্য। যাতে ফিরে এসে শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে সুখের মাঝে থাকবেন । হলো তার রিপরীত । এভাবে সকলক্ষেত্রে নিরপত্তার এতই অভাব যে চারিদিকে যেন মরিচিকার মতো অবলোকন করতে পারছি যে অশািন্তির অবিচার অনাচার আর নিরাপত্তাহীনতা সমাজেকে ফুরে ফুরে খাচ্ছে।

একটি সমশ্র্রেীর দৈনিক পত্রিকায় খুবই গুরুত্বপূর্ন কয়েকটি শিরোনাম চোখে পড়লো

ক) যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের অপসারন ও য্রেফতারের দাবীতে মানব বন্ধন।

খ) ইডেন কলেজ ছাত্রীকে বাসে যৌন হয়রানী

গ) তিন শিক্ষককে ¯œাতকোত্তরের বার্যক্রম থেকে অব্যাহতি

উপরোল্লেখিত পত্রিকার শিরোনাম যা এসেছে তার মূল প্রতিপাদ্য নিরাপত্তাহীনতা। সব শিরোনামের মূল সুর একজায়গায়

দেশের অর্থ সামাজিক অবস্থা কোন অবস্থয়য় আছে, তা আইন শূংখলা ও মানুষের মানসিক বিকাশ তা জানিয়ে দিচ্ছে। কারণ গাড়ীতে বাড়ীতে পথ চলতে মেসে হোস্টোলে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে নিরাপত্তা কোথায় পাওয়া যাচ্ছে না। যে দেশে ছাত্রী হোস্টেলে আবাসীখ ছাত্রীদের জোর করে করে নেতাদের শয্যাসঙ্গীনি অথবা আবাসিক হোটেলে পাঠানোর মতো জঘন্য বর্বরতা মতো নোংরা সংবাদ বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দেয়।

সে দেশে আর নীতির কথা বা বা নিরাপত্তার পর্যালোচনা আহম্মুকের পরিচয় ছাড়া কিছু নয় । শান্তি নিরাপতত্তা যখন সোনার হরিন বলেন আর যাই বলেন এটা মানুষের অনুভ’তির ব্যাপার পত্রিকায় জগন্নাথ বিববিদ্যায় বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা রাজশাহী বিশবিদ্যালয় বা ইসলামী বিশ্ববিদ্যায় কুষ্টিয়ার কথাই বলুন না কেন ছ্রাত্র শিক্ষক ও ছাত্রী শিক্ষক আচারণ সম্পর্কে অনেক আপক্তিকর রিপোর্ট পত্রিকার ছাপা হয়েছে আসলে মৌলিকভাবে ভাববার বিষয় হলো শিক্ষকের কাছে ও যদি সন্তান তুল ছাত্র ছাত্রীর নিরাপত্তার যদি প্রশ্ন উঠে তাহলে নিরাপত্তা পৃথিবীর কেথায় ও কামনা করা যাবেনা।

সমাজের মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকই বটের ছায়ার মতো নিরাপত্ত দেয়ার কথা অর্থচ বর্তমান ্ সমাজে হ্েচ্ছ তার হিতে বিপরীত। যদি বলা হতো কর্মস্থল্রে ধরনের ঘটনায় বা গার্মেনেটস শ্রমিকেদের মাঝে এ ধরনের আচার সঙ্গঠিত হয়েছে বললে বিম্বাস করা যায়। কিন্তু হাল জামানার নব্য যাহিলিয়াতের এ যুগে মানুষের চিন্তা চেতনা ও মানসিকতা অনেকটা পশুদ্যু । যার ফলে নিরাপত্তা ও যেন সে মননশীলতা দিতে পারছেনা।

নিাপত্তার আরেকটা দিক হলো আমাদের অর্থনৈতিক সমাজ ব্যবস্তার সাথে বিশেষভাবে জড়িত। শহর বা গ্রামের মানুষ পারিবারিক প্রযোজনে টাকা গচ্ছিত করে ব্যাংক বীমা বা বিভিন্ন অর্খলগ্নি প্রতিষ্ঠানে টাকা রাখতে অনেকটা অভ্যাস্ত হয়েছে। এদেশের মানুষ।কিন্তু দুংখের বিশয় জেলা শহর থেকে বিভগ এবং জাতীয় পর্যায়ে রাজধানী ঢাকার ও অনেক অথূলগ্নি প্রতিষ্ঠনের যাত্রা শুরু হয়েছিল বেশ আগ থেকে ।

বর্তমান অবধি সে সব প্রতিষ্ঠান নামে আছে। কাজে নেই কারণ অধিক মুনাফা দেখিয়ে সে সমস্ত প্রতিষ্ঠান রাতের আধারে পালিয়েছে অথবা অতি বাড়াবাড়ীর কারনে সরকার সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে তাদের উপর । যেমন আই সি এস, যুবক সহ অনেক প্রতিষ্ঠান মহানগরীর বিভিন্ন ব্যক্তির দেয়া জমা টাকার হাজার হাজার কোটি বিভিন্ন ভাবে অত্বসাত করেছে।

দেখা যায় সাধারন মানুষ জীবনের সর্বসব দিয়ে ত্যাগের বিনিময়ে কিছ’ অর্থ জমার আশায় করেছে অবশেষে হায় হায় কোম্পানির রুপ নিয়ে পালিয়ে যায় রাতের আধারে । অথবা প্রথমত বেশী মুনাফা দেখানের পর বেশী সদস্য জোগাড় হলেই তাদের পাত্তা পাওয়া যায়না। এভাবে নিরাপত্তার বলতে বিছ’ থাকছে না। মানুষ সহজে কাউকে কোন সংস্থাকে বা অন্য কোন অর্থলাগ্নি প্রতষ্ঠানকে বিশ্বাস করতে পারছেনা অর্থাৎ নিরাপত্তা কোথও যেন নেই মরিচিকার মতো নিরাপত্তা ধরা দিচ্ছেনা। মানুষের আচারনের অনৈতিক মড়ে নিরাপত্তা টিকে থাকতে পারছেনা । এজন্য মানুষেরা নৈতিক স্থিতি স্থাপকতা অরো মজবুত হওয়া দরকার।

সেক্ষেত্রে অর্থলগ্নির প্রতিষ্ঠানের সুর ধরে বর্তমান বিশ্ব আলোচিত সমাালচিত বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির দিকে তাকালে স্পষ্ট অনুধাবন করা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সর্বোচ্চ ব্যাংক যেখানে সকল ব্যাংকের জামানত সংসরক্ষন সহ সর্বচ্চ রিজার্ভফান্ডের অর্খ ও সংরক্ষের দায়িত্ব তাদের আতি সাম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক হতে মোটা অংকের টাকা ডিজিটাল পদ্ধতিতেই হ্যাক করে হাইজাক করেছে বিদেশী কতিপয় দুস্কৃতিকারী ।

এখানে বলাদরকার যে বর্তমান বিশ্বের অত্যাধনিক সবছেয়ে সুপাসনিক ম্যাথ দিয়ে বাংলাধেশ ব্যাংকের আইটি বিভাগ পরিচালিত হয় সময়ের ব্যবধানে ২/৩ মাস আ,,,বিদেশী কিছুু দুসকৃত কারি এদেশের পরিবেশ ও প্রশাসন ...তারা দেশে সর্বোচ্চ দেশেবড় আমানত দারী ব্যাংকের টাকা চুরি করেছে। যে ব্যাংকে আমাদের সকলের আমানত রয়েছে। দেশে স্বার্থ রক্ষিত রয়েছে। অথচ সেই ব্যাংকের টাকা নিয়ে এখন নিরাপত্তার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এখন বলেন আমরা কোখায় যাব কিভাবে জীবনের এ পথ পাড়িদেব। কাউকে কিছু বলতে পারবেন না সমালোচনা করতে পারবেন না। কোন বিষয় নিয়ে মন্তব্য ও করার জো নেই । তাহলে এখানেই বুঝা যায় যে আমরা কোন ধরনের নিরপত্তার চাদরে আটকা পড়ে আছি।

[ বি. দ্র.- মতামত লেখকের একান্ত নিজেস্ব, টাইমনিউজ বিডির সম্পাদকীয় নীতিমালার সাথে এর কোন সস্পর্ক নেই। ]