অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি পালন করলে কখনও সরকার পতন হয় না বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, মাত্র এক মাস আন্দোলন করলেই ক্ষমতাসীনদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি: বিপন্ন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি নেতা আরও বলেন, ক্ষমতায় গেলে তাদের ওপর (আওয়ামী লীগের) নির্যাতন করা হবে না এমন নিশ্চয়তা পেলে তারা সংলাপে বসবে। কারণ সবাই বাঁচতে চায়।
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দিশাই বিসওয়াল সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এতেই বোঝা যায়, তারা মরণ আতঙ্কে ভুগছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘যেখানে গণতন্ত্র নেই, সেখানে মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা করা অসাড়। এক পাত্রে যেমন দুধ আর তেঁতুল রাখা যায় না, তেমনি আওয়ামী লীগ যেখানে আছে সেখানে গণতন্ত্র থাকতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রী (খালেদা জিয়া) বলেন গণতন্ত্র নেই। কিন্তু দলের আরেকজন নেতা বলেন নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র। গণতন্ত্র যদি নিয়ন্ত্রিত থাকে তাহলে কিছুটা হলেও আছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যে সবার সঙ্গে মিল থাকে। কিন্তু আমাদের নেতারা একেক জন একেক রকম বক্তব্য দেন।’
তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনের ছবি দেখানোর জন্য আমাদের নেতারা অস্থির হয়ে উঠেন। যখন টেলিভিশন ছিল না তখন কি আন্দোলন হয়নি? আমরা প্রচার নির্ভর হয়ে যাচ্ছি কি না?’ এমন প্রশ্ন রেছে গয়েশ্বর বলেন, জানি প্রচারেই প্রসার’
লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের সভাতিত্বে আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নাল আবদিন ফারুক, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদক হামিদুল্লাহ আল মেহেদী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।
এমএইচ/ এআর





