শনিবার (১১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারি দল হয়তো মনে করছে যে, অতীতের মতো একটি একতরফা সাজানো নাটক করে এবারেও নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়ে যাবে। তারপর যেনতেন প্রকারে একটা গৃহপালিত বিরোধী দল সাজিয়ে নির্বিঘ্নে একটি ‘মেইক বিলিভ’ সংসদের নাটক মঞ্চস্থ করবে। তবে, বিষয়টি হচ্ছে এই যে, এখন আর ২০১৪ বা ২০১৮ সাল নয়। ২০২৪ এ এসে এখন সরকার আর দেশে-বিদেশে কাউকে বোকা বানাতে পারছে না, কারণ তাদের ‘অলটারনেট গণতন্ত্রের’ ফানুস ইতোমধ্যেই ফেটে ভেতরের গ্যাস বের হয়ে চুপসে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এখন দেশের ভেতরেই হোক বা বাইরেই হোক, সবাই প্রত্যক্ষ করেছে এবং খোলাখুলিভাবে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বিরোধী দলের ওপর ক্র্যাকডাউন করে এবং তাদের সংগঠনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাইকে গ্রেপ্তার করে তারপর এক তরফা প্রহসনের নির্বাচনের তামাশার মাধ্যমে রাজত্ব চালানো যেতে পারে তবে গণতন্ত্র নয়।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, কাজেই বর্তমান সরকার নতুন করে আবার একদলীয় সবকার গঠন করে দেশের মানুষের ভোটাধিকারসহ সকল মালিক অধিকার হরণ করেই চলবে, এটা বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ আর হতে দেবে না।

এনএইচ