শনিবার এক বিবৃতিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে জামায়াত নেতা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর বামনা আসমাতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির এক কর্মীসভায় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, দলীয় মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে তিনি কোনো উন্নয়নকাজ করবেন না। তার এমন বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথের সরাসরি সাংঘর্ষিক।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বিবৃতিতে চিফ হুইপের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘চিফ হুইপ বলেছেন—‘অন্য কেউ জয়ী হলে আমার কাছে আসতে পারবেন না, আমি কোনো কাজ দেব না। ওই ইউনিয়নের কপাল পুড়বে।’ তার এই ধরনের বক্তব্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ওপর চরম হস্তক্ষেপের শামিল, নির্বাচনি আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং জনগণের স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভীতি সঞ্চারের নগ্ন প্রয়াস।’
জামায়াতের এ নেতা আরও বলেন, বর্তমান সরকারের কিছু এমপি ও মন্ত্রী অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসকদের মতো বক্তব্য দিচ্ছেন, যা দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করছে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হরণ করে তারা নিজেরাই নব্য ফ্যাসিবাদের রূপ ধারণ করছেন, যা জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এস
















