খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা বলছেন, গত ১৯ অক্টোবর রাতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করে আগের মতো অবনতি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কেবিন থেকে সিসিইউতে স্থানান্তর করতে হয়েছে। কয়েক ঘণ্টা পর কিছুটা স্থিতিশীল হলে তাকে আবার কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। গত ২ দিন শারীরিক অবস্থার অবনতি কিংবা উন্নতি কোনটাই হয়নি।
বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ২ দিন ম্যাডামের স্বাস্থ্যের অবস্থা উন্নতি কিংবা অবনতি কোনটাই হয়নি। তবে, ২ দিন তার স্বাস্থ্যের অবস্থা কিছুটা অবনতি হয়েছিল। আসলে, দেশে তো তার আর কোনো চিকিৎসা সম্ভব নয়। এখন চিকিৎসকরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন, কীভাবে তার রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
কবে খালেদা জিয়া বাসায় ফিরতে পারবেন জানতে চাইলে ডা. রফিক বলেন, এটা তো বলা সম্ভব না। কারণ তার যে স্বাস্থ্যের অবস্থা, সেখানে তাকে তো হাসপাতালে রেখেই কোনো রকম চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থা তাকে বাসা নিয়ে আসা সম্ভব বলে তো মনে হয় না।
বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ম্যাডামের মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন- তিনি (খালেদা জিয়া) কেবিনে আছেন। তার স্বাস্থ্যের অবস্থান বর্তমানে উন্নতি ও অবনতি কোনটাই নাই।
প্রসঙ্গত, গত ৯ আগস্ট খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার কয়েকদিন পরে শাশুড়িকে দেখতে লন্ডন থেকে দেশে আসেন প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দ শর্মিলা রহমান সিঁথি। বর্তমানে প্রতিদিন নিয়ম করে বড় একটা সময় হাসপাতালে শাশুড়িকে সময় দেন। এছাড়া দাদিকে দেখতে গত ১৬ অক্টোবর রাতে লন্ডন থেকে আসে কোকোর বড় মেয়ে।
লিভার সিরোসিস, আথ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, দাঁত, চোখের প্রদাহ, হৃদরোগসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া। এছাড়া তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এরমধ্যে একটিতে রিং পরানো হয়।
এনএইচ
















