আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পর তার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ওপরই আস্থা তৃণমূল নেতাদের। এই কাউন্সিলে তারা শেখ হাসিনার পাশে জয়কে দেখতে চান।
আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রথম দিন শনিবার বিকালে তৃণমূল নেতারা তাদের বক্তব্যে জয়কে এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়ার দাবি তোলেন।
সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী সেশনে ৮টি বিভাগ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা বক্তব্য রাখেন। এতে নেতারা জয়কে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ দেয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনার উদ্দেশে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশকে যখন অন্ধকার ঠেলে দেয়া হচ্ছিল, তখন আমরা আপনার হাতে আওয়ামী লীগকে তুলে দেই। এরপর আপনি এ দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছেন।
তিনি আরো বলেন, আপনি কাদের সঙ্গে নিয়ে ২০২১ সালের মধ্যম আয়ের দেশ করবেন, সেটি আপনি জানেন। সজীব ওয়াজেদ জয় আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার হয়ে কাজ করছে। আমরা চাই, এ সম্মেলনের মাধ্যমে জয়কে কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হোক।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুন-অর-রশীদ বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই যোগ্যতার কারণে দলের সম্মানজনক পদে আসীন করার দাবি জানান এই নেতা।
এসময় তিনি অন্যদের সমর্থন চাইলে সবাই হাত তুলে সমর্থন জানান।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী ইমদাদুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক উত্তরসূরী হিসেবে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। উন্নত আয়ের দেশ গড়ার স্বপ্নযাত্রায় সজীব ওয়াজেদ জয় সারথী হবেন।
আমি আজকের এ সম্মেলনে দাবি তুলছি, এ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বস্থানীয় পদে দায়িত্ব দেয়া হোক।
একই দাবি তুলে বগুড়া জেলার সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বলেন, জয়কে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রেখে তাকে যথার্থ মূল্যায়ন করা হোক।
একই আশাবাদ ব্যক্ত করে সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এবার সজীব ওয়াজেদ জয়কে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হবে আমরা আশা করি।
সম্মেলন অধিবেশনে ক্ষমতাসীন কেন্দ্রীয় ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ।
এমবি





