“সাংবাদিক জনাব গোলাম রব্বানী নাদিমের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানানোর কোনো ভাষা নেই। আমরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন যাবত লক্ষ্য করে আসছি যে, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের মত প্রকাশের স্বাধীনতার টুটি চেঁপে ধরার হীন উদ্দেশ্যেই সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন, গ্রেফতার, হেনস্তা করা, নিপীড়ন, গুম, হুমকি-ধমকি ইত্যাদি অপকর্ম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়।
এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় চলতি ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে গত মে মাস পর্যন্ত গত ৫ মাসে দেশে ১০১ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গত ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে চলতি ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত গত ১৫ মাসে ৪ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন এবং ২২৬ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ থেকেই বুঝা যাচ্ছে যে, বর্তমান সরকারের আমলে দেশে কি ভয়ঙ্কর অবস্থা বিরাজ করছে।
এ সরকারের আমলে সাংবাদিক হত্যা, আহত, নির্যাতিত হওয়ার কোনো ঘটনারই আজ পর্যন্ত বিচার হয়নি। সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত এ পর্যন্ত ৯৮ বারের মত পিছিয়েছে। সাংবাদিক হত্যার বিচার না হওয়ার কারণেই বারবার এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের পরিবার-পরিজন তার হত্যার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অভিযুক্ত করে বক্তব্য দিচ্ছে। এ থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের জন্য কারা দায়ী তা জাতির সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
সাংবাদিক জনাব গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
এন





