তিনি বলেন, যদিও নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি কূটকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। ২০১৩-১৪ সালের মতো আবারও আগুন সন্ত্রাসের ওপর ভর করে সরকার উৎখাত ও দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ক্ষমতা দখলের পায়তারা করছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডরদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংলাপে বিশ্বাস করে না। রাষ্ট্রপতি ও নির্বাচন কমিশনের সংলাপে তারা যায়নি। আওয়ামী লীগ কারো নির্দেশনা শোনে না, সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী চলে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি দূতাবাসে চুপিচুপি আসে, কাউকে জানায় না। আর আমন্ত্রণ পেয়ে আওয়ামী লীগ দূতাবাসে এসেছে। সবাইকে জানিয়েই এসেছে। নির্বাচন ও দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে অর্থপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য, সুষ্ঠু ও অবাধ হবে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাতটি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমআই
রাজনীতি
জাতীয় নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখতে চায় ইইউ : ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আওয়ামী লীগও চায় একটি ভালো, ত্রুটিমুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচন।





