৫ই জানুয়ারি অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অবৈধ সরকারের পদত্যাগ এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশী অধ্যুষিত লাকেম্বার রিমেম্বারেন্স হলে ২০ দলীয় জোট, অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশ থেকে ৫ই জানুয়ারিকে যে গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে তার সাথে একাত্বতা প্রকাশ করা হয়।

বক্তারা বলেন, এই অবৈধ সরকারকে এক বছর সময় দেয়ার পরও চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত সরকারকে ৭ দফা দাবীর মাধ্যমে আলোচনায় বসার জন্য আহবান জানানো হয়েছে। কিন্তু বাকশালি সরকার কোনো ধরনের আলোচনায় না বসে বিরোধী দলকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছে। তাই এই অবরোধের সময় যত অঘটন ঘটবে তার সকল দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।

পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবিসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গণতন্ত্রকামী জনগণের উপরে দমন-পীড়ন ও দেখা মাত্র গুলি করার ঘটনার পরেও সাধারণ মানুষ যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গত এক সপ্তাহ ধরে এই অবরোধ সফল করে চলেছে তাতে প্রমাণ হয় এই সরকারের আর কোনো জনভিত্তি নেই।

বক্তারা আরও বলেন, আওয়ামীলীগ দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে আসছে, কিন্তু প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা যৎসামান্যই এবং তারা আজীবন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে এসেছে।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দেখতে চান বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। এজন্য নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দাবী জানান। এজন্য ২০দলীয় জোটের দাবীর সাথে সকল বাংলাদেশীকে একাত্ব হওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানানো হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ৫ই জানুয়ারিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য শেখ হাসিনা সরকারের পতনের একদফা একদাবী নিয়ে আন্দোলনরত ২০দলীয় জোটের অবরোধকে সমর্থন জানানো হয় এবং এই আন্দোলনের জন্য যেকোনো সাহায্য সহযোগীতার অঙ্গীকার করা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ রাখার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি দেয়ার দাবী জানানো হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন ২০ দলীয় জোটের সমন্নয়ক কেয়ার বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিঃ সাইফুল্লাহ খালিদ, জাতীয়তাবাদী আঈনজীবী ফোরামের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার নাসিরুল্লাহ প্রমুখ।

সভার সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সাবেক প্রেসিডেন্ট অস্ট্রেলিয়া বিএনপি নেতা জনাব রাশেদুল হক, ফারুক আহমেদ, মতিন ও মানিক।

কেএইচ