ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, শফিক রেহমান এতদিন বাইরে থাকবে কেন। সরকার বরং একটু দেরি করে ফেলেছে। তাকে আগেই গ্রেফতার করতে পারতো সরকার। এই্ সরকার খুবই চতুর বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজ করে। তাই ধীরে ধীরে কাজটা করেছে। সরকার জানে তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই। জনগণ সরকারের সাথে নেই। একথা বুঝতে পেরেই শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করেছে সরকার।

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমানের মুক্তির দাবিতে শফিক রেহমান মুক্তি মঞ্চ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, সরকারেরও ভালোভাবে জানা উচিত দেশের কিছু মানুষকে বোকা বানানো যায় কিন্তু সব মানুষকে এক সাথে বোকা বানানো যায় না। মানুষ ফুসছে কিন্তু কথা বলতে পারছে না। সরকার যদি চালাক হয় তাহলে একটু পিছনে যেতে হবে। জয় যেদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজে জন্মগ্রহণ করে সেদিন প্রথম শেখ হাসিনাকে লাল গোলাপ নিয়ে কে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। একথা যেন একটু স্মরণ করে দেখে।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে রাজকোষ চুরির কেলেঙ্কারী ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দেশের জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এটা এক বছর আগের ঘটনা, একটি মামলাও হয়নি। আজকে আমরা কঠিন সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সামগ্রিকভাবে আজ আমরা দ্বিধাবিভক্ত। শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হবে আমি আগেই জানতাম।

সরকারের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ বলেন, আজকে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ছাড়েন বা না ছাড়েন তাতে কিছু বলার নেই। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে, এক শফিক রেহমান জেলে থাকলে হাজার শফিক রেহমান বাইরে থাকবে।

এমবি