বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অবরুদ্ধ করে রাখার প্রতিবাদে দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমি দল-জোটের নেতাকর্মী ছাড়াও দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক সকল দল-শক্তিকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

রোববার দুপুর আড়াইটায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের দম্ভ ও স্বেচ্ছাচারিতার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনকে যৌক্তিক পরিস্থিতিতে পৌঁছাবার জন্য দেশবাসীর সক্রিয় সমর্থন ও অশংগ্রহণ কামনা করছি।

বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, ‘শনিবার দিবাগত রাত থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী ক্ষমতাসীনরা দলের নেতাকর্মীদের কার্যালয়ের ধারে কাছে ঘেঁষতে দিচ্ছেনা। এমনকি সংবাদ কর্মীদেরও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছেনা।

বিএনপির ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য ‘গণতন্ত্রকামী মানুষ উন্মুখ হয়ে আছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, এ উপলক্ষে ২০ দলীয় জোট শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ পরিস্থিতি ক্ষমতাসীণরা বীত হয়ে সারা দেশে গ্রেফতার ও হয়রানির তাণ্ডব শুরু করেছে।

তিনি দাবি করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সবাইকে বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মির্জা আলমগীর বলেন, ‘আতঙ্কিত স্বৈরশাসনের এই দানবীয় তা-বের বিরুদ্ধে নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশের কোনো ভাষা নেই। বিবেকের কোনো দাবি ন্যায্য ও যুক্তিপূর্ন কোনো বক্তব্য এরা শোনে না। সে কারনে জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের মাধ্যমেই কেবল এসব অপকর্মের জবাব দেওয়া সম্ভব।

এমএইচ, জেএ