ধ্বংসাত্মক রাজনীতি ও নির্বাচন বয়কটের সংস্কৃতি পরিহার করে বুধবারের (৩০ ডিসেম্বর ২০১৫) পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
আজ(বৃহস্পতিবার) এক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীবলেন, ‘অন্তত তারা এবার আগের মতো অগ্নিসংযোগ ও তান্ডব সৃষ্টির পথে যায়নি। তারা নির্বাচনের পথে এসেছে, তারা নির্বাচনমুখী হয়েছে। এজন্য আমি তাদের অভিনন্দন জানাই।’
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এ সময়ে সচেতন হয়েছে এবং তারা বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিনষ্ট করার চেষ্টা করেনি।
চলতি বছরের প্রাইমারী স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর ২০১৫) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওই ফলাফল হস্তান্তর করেন।
একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
বিদায়ী বছরের শুরুতে বিএনপি-জামায়াত চক্রের নৃশংসতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমে দেশের জনগণ চলতি বছরের প্রথম তিন মাস ভয়াবহ ও বেদনাদায়ক জীবন কাটিয়েছে। বিএনপি-জামায়াত এ সময় মানুষ পুড়িয়ে হত্যা ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
‘এ সময় শিশুরা স্কুলে যেতে পারেনি এবং ঘনঘন সময়সূচি (পরীক্ষার) পরিবর্তনের জন্য পরীক্ষা দিতে পারেনি’ উল্লেখ করে তিনি এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে বর্ণনা করেন।
শেখ হাসিনা আশা করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি ভবিষ্যতে আন্দোলনের নামে কেউ ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের পথ অবলম্বন করবে না।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার চায় শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের পরীক্ষার আসনে বসতে পারবে এবং পরীক্ষায় পাস করবে। (সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস)
কেবি





