বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আওয়ামী লীগ সরকার বা ভারত সরকারের বিরুদ্ধে এ লংমার্চ নয়। দেশের জীবন, জীব বৈচিত্র্য ও দেশিয় অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানী উত্তরার আমির কমপ্লেক্সের সামনে লংমার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগে বক্তব্য এ কথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আপনারা  তিস্তা চুক্তি করতে পারেননি। ফলে জীব বৈচিত্র্য বিপন্ন হওয়ার পথে। সমগ্র উত্তরাঞ্চল আজ মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে।  তাই বিলম্ব না করে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করে দেশের মানুষকে বাঁচাতে তিস্তাসহ অভিন্ন সকল নদীর চুক্তি বাস্তবায়ন করুন। অন্যথায় দেশ ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এসময় লংমার্চে কোন রকম বাধা না দিয়ে তাতে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
লংমার্চে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, অর্থনৈতিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড.আসাদুজ্জামান রিপন, শিক্ষা সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, ছাত্র দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।
এদিকে তিস্তায় যাওয়ার আগে লংমার্চে প্রথম পথ সভাটি অনুষ্ঠিত হবে কালিয়াকৈরে সকাল সাড়ে ১০টায়, সাড়ে ১১টায় টাঙ্গাইল বাইপাস মোড়, সাড়ে ১২টায় সিরাজগঞ্জ পদ্মার মোড়, বেলা আড়াইটা বগুড়ার মাটির ঢালীর মোড়, বিকেল সাড়ে ৩টায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে এবং বিকেল সাড়ে ৪টায় পলাশবাড়িতে পথ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া লংমার্চ রাতে রংপুর অবস্থান করবে। পরের দিন সকাল ৯টায় পথসভার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে তিস্তা ব্যারেজের সামনে ডালিয়া পয়েন্টে বেলা ১১টায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
[b]ঢাকা, ২২ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ[/b]