সরকারের মদদপুষ্ট ও দেশ-বিদেশে প্রশ্নবিদ্ধ ট্রাইবুনালে মাওলানা আবদুস সোবহানের বিরুদ্ধে প্রহসন মূলক রায়কে প্রত্যাখ্যান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিকৃয়া বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে নয় একটি বিশেষ গুষ্ঠির অপরাজনীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ রায় দেয়া হয়েছে।
এই রাজনৈতিক ছকে দেওয়া রায় ন্যায় বিচারের ইতিহাসকে আবারো কলঙ্কিত করেছে। দেশ বিদেশের বিবেকবান কেউ এ রায় মেনে নেয়নি। আমরা এ সাজানো রায় ঘৃনা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, মাওলানা আবদুস সুবহানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ট্রাইবুনালে কার্যক্রম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল বিভ্রান্তিতে ভরপুর। তদন্ত কর্মকর্তা আদালত জানিয়ে ছিলেন একটি ঘটনা স্থল কন্দরপুর ও সিন্দুরপুর গণকবর তিনি পরিদর্শণ করেছেন। অথচ এ দুটি জায়গা ৪০ বছর আগেই পদ্মা নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
তার বিরুদ্ধে ৩১ জন সাক্ষীকে সুযোগ দিলেও পক্ষে মাত্র ৩ জন সাক্ষীকে অনমুতি দেয়। তাছাড়া তার পক্ষে যু্ক্তি উপস্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ও বেধে দেয়া হয়। যাদের স্বাক্ষীতে এই রায় দেয়া হয়েছে তাদের বয়স ছিল মুক্তিযোদ্ধের সময় ২-৫ বছরের মধ্যে।
এসব স্বাক্ষীকে সেফ হোমে ভরণ পোষণ করে দ্বীর্ঘ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মিথ্যাচার শিখিয়ে দেয়া হয়। এসব প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সাক্ষীদের মিথ্যাচারের উপর ভিত্তি করেই এ রায় দেয়া হয়েছে।
অথচ যে এলাকায় তার বিরুদ্ধে এসব নিকৃষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে সেখানেই তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সুতরাং এ রায় কোন নিরপেক্ষ ও ন্যায় বিচারের অবস্থান থেকে এসেছে বলে সামান্য বিবেক সম্পন্ন কেউই বিশ্বাস করেনা।
ট্রাইবুনালের রায় যে আওয়ামীলীগ ও তাদের দোষরদে সাজানো ছকে দেয়া হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ট্রাইবুনাল যদি আইনের লেবাসে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হওয়া অব্যাহত রাখে তাহলে এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দেয়া ছাড়া জনগণের আর কোন পথ খোলা থাকবে না।
এমনিতেই নানা ঘটনা ও কেলেঙ্কারীর কারণে দেশ বিদেশে এই ট্রাইবুনালের গ্রহণ যোগ্যতা নেই। এর পরও বিচারের নামে অবিচার অব্যাহত থাকলে এই প্রহসনের ট্রাইবুনালকে জনগণ পরিত্যক্ত ঘোষনা করবে।
ট্রাইবুনালের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক আচরণের পরও আমরা আশাবাদী। আমরা আশাকরি উচ্চতর আদালতে মাওলানা আবদুস সুবহান বেকসুর খালাস পাবেনা।
নেতৃবৃন্দ ন্যায় বিচারের মান রক্ষায় যে কোন প্ররোচণার উর্দ্ধে উঠে বিচারের নামে অবিচার বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
এসএইচ





