আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার সহনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি দেখছে। বিরোধীদের সমাবেশ করার অধিকার আছে। সভা সমাবেশে বাধা-নিষেধ শেখ হাসিনার সরকার কখনও করেনি, করবেও না।
শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে নবনির্বাচিত মেয়রদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ইভিএমে ভোট জালিয়াতির কোনও সুযোগ ছিল না। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। পর্যবেক্ষকরাও কিন্তু বিরূপ মন্তব্য করেনি। বিএনপি বিষেদগার করছে কারণ তারা হেরে গেছে। তারা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তাদের আন্দোলনের হুমকি দেখে আমরা অভ্যস্ত। আন্দোলন তারা করুক। কিন্তু আন্দোলন করছে কার বিরুদ্ধে?
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তো এই সরকার মামলা করেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার মামলা করেছিল। এটা রাজনৈতিক মামলা নয়। রাজনৈতিক কারণে সরকার যদি খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করতো, তাহলে রাজনৈতিক কারণে তাকে মুক্তি দেওয়ার প্রশ্ন আসতো। যেহেতু রাজনৈতিক কারণে এই মামলা হয়নি সেহেতু রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগ নেই।
আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। কোনও আন্দোলন যদি রাজনৈতিক হয়, আমরা সেটা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবো। কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি সহিংসতা হয়, আমরা দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবো।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া সরকারের সহনশীলতার পরিচয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার সহনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি দেখছে। বিরোধীদের সমাবেশ করার অধিকার আছে। সভা সমাবেশে বাধা-নিষেধ শেখ হাসিনার সরকার কখনও করেনি, করবেও না।
১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে বিএনপির ডাকা বিক্ষোভ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, শান্তিপূর্ণ কোনও সমাবেশে আমরা বাধা দেবো না। যদি সহিংসতা হয়, তাহলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।
এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপদফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমবি





