সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

দলের নাম ভাঙিয়ে কমিটি করা হচ্ছে অভিযোগ করে চুন্নু বলেন, দলের নামে যারা কমিটি করছে তারা দলের কেউ না। যারা পদ রাখেন না তারাও কথা বলছেন। এটা ঠিক না।

জাপা মহাসচিব বলেন, ‘বহিষ্কার যাদের করা হয়েছে তাদের নিয়ে বসা হবে না। রওশন এরশাদ তাদের নিয়ে বসলে বসুক। ক্ষমা চাইলেও তাদের নিয়ে আলোচনা করা হবে না। কাকরাইল কার্যালয়ে কোনো টোকাই আসার চেষ্টা করলে নেতাকর্মীরা ব্যবস্থা নেবে। কেউ জোর করে কিছু করতে পারবে না।’

জাতীয় পার্টি এখন আর গৃহপালিত নয় মন্তব্য করে চুন্নু বলেন, ‘জাতীয় সংসদের আমরাই একমাত্র বিরোধী দল। স্পিকারের সিদ্ধান্ত যথার্থ। জিএম কাদেরের নেতৃত্বে আগামী দিনে বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি ভূমিকা রাখবে।’

গতকাল গুলশানে এক মতবিনিময় সভায় রওশন এরশাদ নিজেকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। এবং জিএম কাদের ও চুন্নুকে অব্যাহতি দেন। পাশাপাশি কাজী মামুনুর রশিদকে পার্টির মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় এরশাদপত্নী দলের বহিষ্কার, প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেন।

রওশন এরশাদ বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য নেতৃত্ব ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে জাতীয় পার্টির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। জাতীয় পার্টিতে এখন ক্রান্তিকাল বিরাজ করছে। দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও কো- চেয়ারম্যান হওয়ায় আমি বেগম রওশন এরশাদ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। নেতাকর্মীদের অনুরোধে আমি পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলাম। আর পরবর্তী সম্মেলন না হওয়া পর্যন্ত কাজী মানুনুর রশীদকে মহাসচিব ঘোষণা করছি।

এরপর দুপুর ২টায় জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে চুন্নু বলেন, রওশন এরশাদের ‘অব্যাহতির’ ঘোষণা আমলে নিচ্ছি না। এটার কোনো ভিত্তি নাই। এটা গঠনতন্ত্রবিরোধী। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের কথার কোনো ভিত্তি নাই। তাছাড়া ওনারা দলের কেউ না, তাই কী বলল তা আমলে নিচ্ছি না।

এনএইচ