সোমবার (২৫ফেব্রুয়ারি)জামায়াতে ইসলামী দিনাজপুর দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা শাখার উদ্যোগে বার্ষিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশের জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ডামি ও ফেক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছে। সরকার শিক্ষা-সংস্কৃতিসহ সকল সেক্টরে এক ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নির্দেশনায় নতুন কারিকুলামে শিক্ষা ব্যবস্থায় হিন্দুত্ববাদী দর্শন এবং ইসলামী মূল্যবোধ বিরোধী সিলেবাস দিয়ে মুসলিম উম্মাহর তাহযীব-তামাদ্দুন ধ্বংস করে দিচ্ছে। দুর্নীতি, দুঃশাসন, বিদেশে অর্থ পাচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নাগরিক জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চরম সঙ্কটে। এমতাবস্থায় ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনে জামায়াতের রুকনসহ আপামর জনসাধারণকে সাথে নিয়ে আন্দোলনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে হবে এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।
তিনি বলেন, স্বাধীন ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় শপথের জনশক্তি রুকনদের ঈমানের দাবিতে জান ও মালের কুরবানি পেশ করতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর রুকনদের নিয়মিত কুরআন ও হাদীস অধ্যয়ন করতে হবে। ইলম ও আমলের দিক দিয়ে গ্রহণযোগ্যতার মানদণ্ডে উন্নীত হতে হবে।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও দিনাজপুর দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা শাখার আমির মো: আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল।
জেলা সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম সৈকতের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলার সাবেক আমির, চিরির বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন মোল্লা ও জেলা নায়েবে আমির ড. মুহাদ্দিস এনামুল হক প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি মাওলানা আবদুল হালিম বলেন,গত ১৫ বছর অনির্বাচিত সরকারের জুলুম-নির্যাতন নিপীড়নে জামায়াতের ১১ জন শীর্ষনেতাসহ ৩ শতাধিক নেতা-কর্মীর শাহাদাত বরণ এবং লক্ষাধিক নেতা-কর্মীর কারাবরণ সত্ত্বেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিঃশেষ করা সম্ভব হয়নি এবং আদৌ সম্ভব হবে না বরং এ জমিনে দীনের বিজয় হবেই ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি





