ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এ ঘটনা ঘটে। এর কিছু সময় আগেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
তবে ঘটনার সময় লিয়াকত শিকদার বাসায় ছিলেন না। আহতদের মধ্যে তার ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভারের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা বলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সদ্য প্রাক্তন হওয়া একজন সভাপতির কর্মী-সমর্থকরা এই হামলা করে। কমিটি ঘোষণার পর পরই রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে হামলা হয়। তবে ঘটনার সময় লিয়াকত শিকদার বাসায় ছিলেন না।
দলীয় সূত্রটি আরো জানায়, হামলার ঘটনা শুনে লিয়াকত শিকদারের বাসার সামনে ছুটে আসেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে লিয়াকত শিকদারের বাসায় হামলার ঘটনার পরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে হামলায় নেতৃত্বদানকারী সভাপতির ব্যানার-ফেস্টুন ছিড়ে ফেলে মহানগর দক্ষিণের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, শনিবার ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে ২৮ মে মহানগর উত্তরের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
কাউন্সিল ঘোষণার দিন ঠিক হয় ৩০ মে বিকাল ৫টা। কিন্তু কমিটি ঘোষণা করা হয় গভীর রাতে। এতে উত্তরের মো. মিজানুর রহমানকে সভাপতি ও মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদকে সাধারণ সম্পাদক করে মোট ছয় সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
আর দক্ষিণের সভাপতি হিসেবে মো. বায়জিদ আহম্মেদ খান ও মো. সাব্বির হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে মোট আট সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এআর





