সরকার শিক্ষাকে পণ্য ও শিক্ষার্থীদেরকে ক্রেতা বানাচ্ছে এমন অভিযোগ করছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এছাড়া সরকার কর্তৃক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭.৫ ভাগ কর বহাল ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের গুলি চালানোর  প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সারাবিশ্বে যেখানে শিক্ষাকে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের দোর গোড়ায় পৌছে দিচ্ছে, সেখানে আমাদের দেশে শিক্ষার উপর ভ্যাট নির্ধারণ করে শিক্ষাকে পণ্য বানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে নিজেদের উচ্চাভিলাস চরিতার্থ করতে চাইছে সরকার।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার কারো দয়া বা সেচ্ছাচারিতার বিষয় নয়। এটা আমাদের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার অর্জনে যেকোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা সরাসরি সংবিধান পরিপন্থি। ছাত্রদের উচ্চ শিক্ষার পথ রুদ্ধ করার অধিকার কারো নেই। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে সরকার আগামী দিনে জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার চক্রান্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এমন সিদ্ধান্তের ফলে একদিকে ছাত্রদের যেমন উচ্চ শিক্ষায় অনাগ্রহী করবে অন্যদিকে দেশের মেধা সম্পদ বিদেশে চলে যাবে। শিক্ষার ক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা মেনে নেয়া হবেনা।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের জোর দাবী জানিয়ে বলেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্ধ আরও বাড়াতে হবে, উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিতে হবে, বর্বর হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে এবং হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর সাথে প্রতারণার ফল ভাল হবেনা।

ইআর