শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০ টায় রামু হাইস্কুলে বঙ্গবন্ধু উৎসবের ষষ্ঠ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,এমনি প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনিই কিছু বিপদগামী, ক্ষমতালোভী ও চক্রান্তকারীদের হাতে শাহাদাৎ বরণ করেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান সৃষ্টির পর বঙ্গবন্ধু বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন বাঙ্গালী জাতির জন্য বড় বিপর্যয় আসবে। এজন্যই পাকিস্তানীদের শোষণের নাগপাশ থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বুকে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বাঙালির অস্তিত্ব সূচিত হয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন সন্নিকটে। বিএনপির নেতারা সরকারের তৈরি সেতুর উপর উঠেও সরকারের উন্নয়ন হয়নি বলে সমালোচনা করেন। তারা করোনার টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। অথচ পরবর্তীতে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির সব নেতারা টিকা নিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার এখন আগের মতো নেই। স্বপ্নের রেল, এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামীণ জনপদের মানুষের স্বপ্ন পূরণে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। দেশের লাখো মানুষকে মুজিব বর্ষের ঘর উপহার দিয়েছেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মেধাবী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। এখন খালি পা আর ছেঁড়া জামা পড়ার দৃশ্য দেখা যায় না, কুড়ে ঘরেও মানুষ থাকে না। মানুষের স্বপ্ন আওয়ামী লীগ সরকার বাস্তবে রূপ দিচ্ছে। তাই আগামী নির্বাচনে উন্নয়নের পক্ষে সবাইকে রায় দিতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু উৎসব উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবুল শর্মা।
আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু উৎসবের সমন্বয়ক কক্সবাজার ৩ আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল।
বঙ্গবন্ধু উৎসবের মহাসচিব উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক ও উপজেলা যুবলীগ সাধারণ নীতিশ বড়ুয়া সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামশুল আলম, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ফরিদুল আলম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান প্রমুখ।
এনএইচ





