বরিশালের মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এতে আয়োজিত সুধী সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। পুলিশ ছাত্রলীগের দুই নেতাকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নামফলক উন্মোচন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। এ সময় দোয়া-মোনাজাত শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে শুরু হয় সুধী সমাবেশ।
কিছুক্ষণ পর মুলাদী পৌরসভার মেয়র শফিকুজ্জামান রুবেলের সমর্থক উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মিঠু ও পৌর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি তিলক খানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী মঞ্চের সামনে গিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে ক্ষুব্ধ হন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানের কর্মী-সমর্থকেরা। এ নিয়ে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকেরা হাতাহাতি ও একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে সুধী সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম ও জাফর মল্লিক নামে দুজনকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মুলাদী কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক বয়াতি ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা জহির মল্লিককে আটক করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র শফিকুজ্জামান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানের মুঠোফোনে গতকাল সন্ধ্যায় কয়েকবার ফোন করা হলেও দুজনের কেউই ফোন ধরেননি।
তবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সভা পণ্ড হয়ে যায়।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, পুলিশ দুই ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছে। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাইমনিউজবিডি.নেট/ মাহমুদ





